অনেক দিন আগের কথা। এক যে ছিল বেড়াল ও কুকুর। বেড়ালটা এক ধনীর বাড়িতে বেশ আয়েশেই ছিল। আর কুকুটার বাস ছিল লোকালয়ে।
বেড়াল বলে, ‘মাটি খুঁড়তেই হাতে মেহেদির ছোঁয়া লাগে। আরেকটু খুঁড়তেই মেহেদিরাঙা হয় পা। ওপরে সূর্যের দিকে তাকাতেই চোখে আলো পড়ে। তারপর মন্ত্রীর বাড়িতে গেলে সুন্দর বিছানার আয়োজন হয়। সুলতানের প্রাসাদে যেতেই মনোরম চেয়ারে বসা। রুটি-কারবারির কাছে গেলেই মেলে এক টুকরো রুটি।’
বেড়ালটা কুকুরকে দেখে শুধোয়, ‘দেখো, ক-তো কিছু পেয়েছি। এতেই তোমার চোখ ছানাবড়া! ভীষণ ঈর্ষা লাগছে?’
কুকুর বলে, ‘কেন মিছামিছি ঈর্ষা হবে? আমি এমনটা করলে কী হতো? শোন তবে—মাটিতে গর্ত খুঁড়লেই রক্ত লাগত হাতে। আর একটু খুঁড়লেই পা দুখানা যেত ভেঙে। সূর্যের দিকে তাকালে দু চোখ হতো কানা। মন্ত্রীর বাড়ি গেলে আবর্জনায় ছুড়ে মারত। সুলতানের প্রাসাদে জায়গা হতো সিঁড়ির নিচে। রুটি-কারবারির কাছে গেলে মিলত লাঠির তাড়া।’
সৌদি আরবের লোককাহিনি
রূপান্তর :কুতুব আজাদ
