ঘাস মারার বিষে পরিবেশের ক্ষতি!

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৬

ফসলের খেত দ্রুত প্রস্তুত করার জন্য অনেকেই ঘাস মারার জন্য এক ধরনের বিষ ব্যবহার করে থাকে। রাতে ফসলের খেতে দিয়ে রাখলে পুরো খেতের ঘাস সকালে দেখা যায় হলুদ হয়ে মরে আছে।

এ বিষে প্রাকৃতিক জৈব অর্গান যা রয়েছে তা কি বেঁচে থাকে? মানুষের পা অনেকটাই স্পর্শকাতর। বিষ দেওয়ার পর এর ওপর দিয়ে হাঁটলে শরীরে এর প্রভাব পড়ে কি? যখন বিষ দেওয়া হচ্ছে তখন পাখি, পোকামাকড় যা-ই এই বিষের ওপর বসুক না কেন বা খাবার গ্রহণ করুক না কেন তারই মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। একাধারে জলজ ও স্থলজ এবং পক্ষীকুলের জন্য হুমকি এ ধরনের বিষ!

টক্সিক কোনো পদার্থ মাটিতে ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। ঘাস মারার জন্য অনেক ধরনের বিষ বাজারে আছে। এগুলো কোনোটার ক্যারেক্টারিস্টিকস কী ধরনের তা নিয়ে কৃষি বিভাগের আরো কাজ করা প্রয়োজন। এমনিতেই ধানখেতে আগে যেরকম মাছ পাওয়া যেত, এখন আর পাওয়া যায় না। কমে গেছে ব্যাঙ প্রজাতি, হারাচ্ছে জলজপ্রাণীও।

ঘাস ওষুধ দিয়ে না মেরে লাঙ্গল চাষ করে তা উপড়ে ফেললে এবং পরে বেছে নিলে সময় বেশি লাগলেও তা প্রাকৃতিক। কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা এলেও কীটনাশক ব্যবহার, সার ব্যবহার ও বিষ ব্যবহারে এখনো কৃষকদের পুরোপুরি সচেতন করা যায়নি। টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনার জন্য রাসায়নিক নিরাপত্তাজনিত আরো বেশি প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এর সঙ্গে সঙ্গে কী কী ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে তা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঘাস মারার ওষুধের ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর