ভালোর দিকেই যাচ্ছিল দেশের শেয়ারবাজার। বাড়ছিল সূচক। লাভবান হচ্ছিলেন বিনিয়োগকারীরা। শুধু দেশে নয় বিদেশি বাজারের তুলনায়ও বেশ ভালো করছিল শেয়ারবাজার। সব মিলিয়ে একটি স্থিতিশীল শেয়ারবাজারের উদাহরণ হওয়ার পথে ছিল বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি তা পতনের ধারায় যাচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবারও পতন হয়েছে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে। এ নিয়ে টানা সাত কার্যদিবস পতনের ধারায় রয়েছে বাজার। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বিনিয়োগকারীরা বলছেন, শেয়ারবাজারের টানা পতনে স্বল্প পুঁজির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্রতিদিনই তাদের বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। তারা বলছেন, আমরা স্বল্প পুঁজির বিনিয়োগকারীরা কখনোই পুঁজির বা বিনিয়োগের নিশ্চয়তা পাইনি। বিভিন্ন সময় আমাদের এই বাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা মূলত লোক দেখানো বলে অভিযোগ করেন তারা।
টানা দরপতন বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, বাজারকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন সময় গুজব সৃষ্টি করা হয়। আর সে গুজবে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাই এ ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব শেয়ারবাজারে সূচক ওঠানামা করে। এটাই নিয়ম। বিএসইসির নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৩ হাজার পয়েন্ট বেড়েছে। আর কমেছে মাত্র কয়েক শ। এমন কারেকশন তো হতেই পারে। এটা স্বাভাবিক। এরপর সূচক ১০ হাজার পয়েন্ট হবে। তখন ৫০০ পয়েন্টও কমতে পারে। এজন্য বিনিয়োগকারীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।
