সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত কাজী হাবিব হত্যা মামলার রায়ে সব আসামিকে বেখসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুমিনুন্নেছা এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জুবায়ের বকত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত-সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফটকে কাজী হাবিবুর রহমানের ওপর হামলা হয়। তার ডান পা ও হাতে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি ঘটে। সেখান থেকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ওই ইউনিভার্সিটির বিবিএ চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হাবিব ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের রানীঘাট গ্রামের কাজী সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে হাবিব। ইউনিভার্সিটির পাশে কানিশাইল এলাকার একটি মেসে থাকতেন তিনি। এই খুনের ঘটনায় হাবিবের ভাই কাজী জাকির হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়।
আসামিরা হলো ছাত্রলীগ নেতা হোসাইন মোহাম্মদ সাগর, ইলিয়াছ আহমদ পুনম, ইমরান খান, সুবায়ের আহমদ সুহেল, ময়নুল ইসলাম রুমেল, তুহিন আহমদ, নাহিদ হাসান, আওয়াল আহমদ সোহান, আশিক, সায়মন ও নয়ন। খুনের ঘটনার পর তাদের সবাইকে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ইত্তেফাক/এনই/এএইচপি
