প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রংপুরের ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পাউবো জানায়, ভারতের কয়েকটি রাজ্যে ভারী বর্ষণের কারণে গজলডোবার সব গেট খুলে দিয়েছে ভারত। এতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিস্তার পানি হু হু করে বাড়তে থাকে। বুধবার সকালে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী, আলমবিদিতর, কোলকোন্দ, লক্ষ্মীটারি, গজঘণ্টা, মর্নেয়া ইউনিয়নসহ কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানির স্রোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জরুরি অবস্থা মোকাবিলাসহ জানমাল রক্ষায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাইকিং করে সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রংপুর কৃষি অফিসের উপ-পরিচালক মো মাহবুবুর রহমান জানান, বন্যায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে সর্বোচ্চ পানি রেকর্ড করা হয়েছিল ৫৩ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। বুধবার তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫৩ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটারে গিয়ে দাঁড়ায়। যা তিস্তা নদীর পানির উচ্চতায় রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, বুধবার তিস্তা নদীতে সর্বোচ্চ পরিমাণ পানি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
