পানি নিষ্কাশনে পলি অপসারণ চলছে

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:১৫

কেশবপুরে ২৭ বিলে জলাবদ্ধতা

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা

কৃষকের স্বার্থে জলাবদ্ধ ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য শ্রীহরি নদী ও ডায়ের খালের সংযোগস্থলে বাঁধ নির্মাণ শেষে আট ব্যান্ড স্লুইস গেটের আগে-পিছে দ্রুত পলি অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ নিজ উদ্যোগে গত শনিবার থেকে এ জলাবদ্ধ পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করেছেন। এটি হলে বিল অভ্যন্তরের ৪০ হাজার বিঘা জমির ধান, সবজি, মাছের ঘের ও বাড়িঘর এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষা পাবে। 

ভবদহ সংলগ্ন কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার ২৭টি বিলের পানি নিষ্কাশন হয় কেশবপুরের ডায়ের খাল দিয়ে। কিন্তু শ্রীহরি নদী ও ডায়ের খালের সংযোগস্থলে আট ব্যান্ড স্লুইস গেটের আগে ও পিছে ছয় কিলোমিটার পলি জমে বিলের তলদেশ থেকে প্রায় পাঁচ ফুট উঁচু হয়ে গেছে। যে কারণে বিলের পানি নিষ্কাশন হতে না পেরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধ পানি একাকার হয়ে ফসলের খেত, মানুষের বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে।

সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বলেন, ভবদহসংলগ্ন ২৭ বিলের ৪০ হাজার বিঘা জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে বিল খুকশিয়ার ডায়ের খালের পলি অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ লাখ টাকা। এলাকার কৃষকের স্বার্থে নিজ উদ্যোগেই কাজ করে যাচ্ছি। পলিতে ভরাট হওয়া ডায়ের খালের পলি অপসারণে পার্শ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর, দূর্বাডাংগা, নেহালপুর, শ্যামকুড় ও খানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সহযোগিতা নেওয়া হবে। কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সী আছাদুজ্জামান বলেন, ভবদহসংলগ্ন সব নদী ও খাল পলিতে ভরাট হয়ে গেছে। এগুলো সংস্কারের জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ না হলে কিছু করার নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ডায়ের খালের পলি অপসারণের কাজ করার কথা শুনে এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। ঐ কাজে চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করা হবে।