বানারীপাড়ায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কিশোরীকে প্রায় এক মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে উজিরপুর থানায় ঐ কিশোরীর বাবা এ মামলা করেন।
উজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলী আরসাদ জানান, ‘ঐ কিশোরীকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।’ জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বানারীপাড়া উপজেলার উত্তরকুল এলাকার জামাল হোসেন ফরাজী (২৬) বিয়ের আশ্বাস দিয়ে উজিরপুর উপজেলা থেকে ঐ কিশোরীকে (১৫) তুলে এনে কচুয়া গ্রামের ম্যারেজ রেজিস্ট্রার মাওলানা মো. আবু হানিফের কাছে নিয়ে যান। সেখানে জামাল ফরাজী ঐ কিশোরীকে ইসলামি শরিয়া মোতাবেক বিয়ে করার নাটক করেন। পরে জামাল ফরাজী তাকে তার কর্মস্থল সন্দ্বীপ এলাকার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যান। সেখানে জামাল ফরাজী তাকে প্রায় এক মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। গত ১৮ অক্টোবর জামাল ফরাজী ঐ কিশোরীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। এসময় জামাল ফরাজীর পরিবার ঐ কিশোরীকে মারধর করে উজিরপুরের হাবিবপুর এলাকায় সড়কের পাশে ছেড়ে দিয়ে আসেন। ঐ কিশোরী তার পরিবারকে পুরো ঘটনাটি খুলে বলেন।
