স্পোর্টস ডেস্ক
বাজে ফর্মের সঙ্গে ওঠাবসা থামছেই না ডেভিড ওয়ার্নারের। আরব আমিরাতে আসার পর তার স্কোরগুলো দেখলে (০,২,০,১) যে কারোরই ভড়কে যাওয়ার কথা। তারপরও অভিজ্ঞ এই ওপেনারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। সতীর্থরা সাহস জোগাচ্ছেন নিয়মিত। তাই আজ আবুধাবিতে অনুষ্ঠেয় সুপার ১২ এর প্রথম ম্যাচে নজর থাকবে ফর্মহীন ওয়ার্নারের ওপর।
প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। আন্তর্জাতিক টি-২০ তে তাদের বিপক্ষেই সবচেয়ে বেশি রান করেছেন ওয়ার্নার। তার মারকাটারি ব্যাটিংয়ে গত বছর প্রোটিয়াদের মাটি থেকে সিরিজ জিতে ফেরে অ্যারন ফিঞ্চের দল। তাছাড়া বিশ্বকাপে একমাত্র ম্যাচটিতেও (২০১২) হাসি ছিল তাদের। তবে সাম্প্রতিক সময় বলছে অন্য কথা।
শেষ ১০ ম্যাচের মধ্যে ৯ টিতে জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে টেম্বা বাভুমার দল। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া তাদের শেষ ১০ ম্যাচে জয় পেয়েছে মাত্র দুটিতে। তাই কোনো সন্দেহ ছাড়াই এই ম্যাচে ফেভারিট দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের জন্য আরেকটি সুবিধা হচ্ছে তাবরেইজ শামসি। নিয়মিত পারফরম করে গেলেও লোকমুখে খুব একটা নাম শোনা যায় না টি-২০ এর সেরা বোলারের। আর মাত্র ৪ উইকেট নিলেই হয়ে যাবেন টি-২০ তে এক বছরে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক (এখন ২৮ উইকেট)। তাই প্রতিপক্ষরা বাঁহাতি এই লেগ স্পিনারকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা দিয়েই খেলতে নামবে।
তবে আবুধাবির মাঠে এই বছর বরং সিপনারদের থেকে পেসার হয়েই বেশি কথা বলেছে। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে টসে যে জিতবে সে রান তাড়া করতেই ইচ্ছুক হবে!
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সাত ব্যাটসম্যান ও চার বিশেষ বোলারকে নিয়ে একাদশ গড়বে অজিরা। বোলারদের মধ্যে মিচেল স্টার্ক , অ্যাডাম জাম্পা, অ্যাশটন অ্যাগারের জায়গাটা স্থায়ী। তাই প্যাট কামিন্স, জশ হেইজেলউড ও কেন রিচার্ডসনের মধ্য থেকে একজনকেই বাছাই করতে পারবেন ফিঞ্চ। পঞ্চম বোলারের দায়িত্ব পালন করবেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস ও মিচেল মার্শরা। অন্যদিকে প্রোটিয়ারা দল সাজাবে ৫ মূল বোলার নিয়েই। গতির ঝড় তুলতে আছেন কাগিসো রাবাদা ও অ্যানরিক নরকিয়া। আর স্পিন বিভাগে শামসির সঙ্গ দিবেন কেশভ মহারাজ। তাছাড়া ব্যাটিংয়ে কুইন্টন ডি কক, রসি ফন ডার ডুসেনরা তো আছেনই।
