আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে সিঙ্গাপুরে সব কর্মীর জন্য করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গতকাল দেশটির তরফ থেকে নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে সবাই এর আওতায় পড়বে। যারা টিকার দুই ডোজ গ্রহণ করেছে কিংবা ২৭০ দিন আগে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে তারাই কেবল কাজে ফিরতে পারবে। এএফপি
নতুন এই নিয়মে যারা ভ্যাকসিন নেবে না তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফেরার আগে করোনার পরীক্ষা করাতে হবে এবং নেগেটিভ রিপোর্ট এলে তারা কাজে যোগ দিতে পারবে। করোনা পজিটিভ নাকি নেগেটিভ তা জানতে অ্যান্টিজেন টেস্টের খরচ তাদের নিজেদেরই বহন করতে হবে। ২৪ ঘণ্টা বা একদিন পর্যন্তই এর বৈধ্যতা থাকবে। অর্থাত্ প্রায় প্রতিদিনই করোনার টেস্ট করাতে হবে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী গ্যান কিম ইয়ং বলেন, ইতিমধ্যেই সিঙ্গাপুরে ৯৬ শতাংশ কর্মী ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছে। অর্থাত্ এরা সবাই ভ্যাকসিনের দুই ডোজ গ্রহণ করেছেন। দেশটিতে ১ লাখ ১৩ হাজার কর্মী এখনো ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি। এদের মধ্যে ১০ শতাংশের বেশি মানুষ বয়স্ক। এর আগে গত জুনে দেশটির সরকার ঘোষণা দেয় যে, করোনা ভাইরাসের সঙ্গে বেঁচে থাকার কৌশলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তারা।
জুন থেকেই করোনা ভাইরাসের বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল করতে শুরু করে সিঙ্গাপুর। কিন্তু বিধি-নিষেধ শিথিল হতে থাকায় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ফলে সবকিছু পুনরায় চালু করার চিন্তা স্থগিত করা হয় এবং কিছু বিধি-নিষেধ নতুন করে জারি করা হয়। এরই মধ্যে সিঙ্গাপুর বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ফেস মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ওয়ার্ক ফ্রম হোম, বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়া, ঘোরাঘুরি সীমিত করে ফেলাসহ বেশ কিছু বিষয় তারা আয়ত্ব করে ফেলেছে।
