বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজগুলোর একটি জনসম্মুখে থুতু ফেলা। এই অভ্যাসটি স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। ফুটপাত দিয়ে চলতে গিয়ে, জানালার পাশে বসা যানবাহনের যাত্রী, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে গল্প করা বা অলস বসে থাকা অনেক লোককেই দেখা যায় ফুটপাত বা মার্কেটের সামনে অবলীলায় থুতু, কফ, পানের পিক ফেলতে। অপরিচ্ছন্নতা বা দেখতে নোংরা লাগার বিষয় নয় এটি। যেখানে সেখানে থুতু ফেলার বড় বিপদ হচ্ছে রোগ-বালাই সংক্রমণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কফ-থুতু, হাঁচি-কাশির মাধ্যমেই করোনা ভাইরাস, সার্স, মার্স, যক্ষ্মা, শাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস, হাঁপানিসহ বহু রোগের বিস্তার ঘটায়। কফ-থুতু যেহেতু ভেজা অবস্থায় থাকে, সেক্ষেত্রে ভাইরাসটি জীবিত থাকে। এর ফলে এটি সরাসরি বাতাসের সংস্পর্শে এসে বিভিন্ন রোগের জীবাণু ছড়ায়। তাই যত্রতত্র কফ-থুতু ফেলার বদ অভ্যাস ছাড়তে হবে। সারা বিশ্বে এখন আতঙ্কের নাম করোনা। কফ-থুতু, হাঁচি-কাশি নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধারণ কতগুলো সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।
সমস্যা সংকুল এদেশে যেখানে সেখানে থুতু ফেলাটা হয়তো সামান্য মনে হতে পারে। কিন্তু এটি মোটেও সামান্য বিষয় নয়। যত্রতত্র থুতু ফেলার নোংরা স্বভাব সম্পর্কে জনৈক ডাক্তার তাঁর ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ‘সারাক্ষণ থুতু ফেলেন কেন? এটা নোংরা স্বভাব, চেষ্টা করলেই বন্ধ হবে। ৬ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খান।’
এই বদ অভ্যাস ত্যাগে প্রয়োজন আমাদের একটু সচেতনতা।
মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন
পল্লবী, ঢাকা
