‘ডিজিটাল ইতিহাস বিকৃত কারা করে?’ শিরোনামে গত ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত লেখা নিয়ে

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর বিবৃতি

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৫

আমি লন্ডনের হাসপাতালে নিদারুণ অসুস্থ অবস্থায় আছি। আমার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কে বা কারা ইত্তেফাকে আমার নামে একটি লেখা পাঠিয়েছে এবং তা প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটির শিরোনাম ‘ডিজিটাল ইতিহাস বিকৃত কারা করে?’ গত ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছে। এই লেখা যে আমার নয়, রোগশয্যায় শুয়ে আমার সহূদয় পাঠকদের জানাচ্ছি। এত ভুল কথা, অসংলগ্ন এবং ব্যক্তিবন্দনা আমার কোনো লেখাতেও করিনি। এই লেখা আমার নয়, পাঠক ভাইবোনদের জানাচ্ছি। আমি যদি সুস্থ হয়ে উঠি তাহলে ‘দশ দিগন্তে’ আবার কলাম লিখব। সকল কাগজেই লিখব। যতদিন সুস্থ না হই ততদিন আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া আমার নামে কোনো লেখা না ছাপানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

লন্ডন, নর্থউইক পার্ক হসপিটাল,

২৪ অক্টোবর, ২০২১

সম্পাদকীয় বিভাগের ব্যাখ্যা

প্রথিতযশা সাংবাদিক, লেখক, কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ‘দশ দিগন্ত’ শিরোনামে প্রতি শনিবার       ইত্তেফাকে নিয়মিত লেখা পাঠিয়ে থাকেন। প্রতি রবিবার আমরা তাঁর লেখা প্রকাশ করে থাকি। গত কিছুদিন ধরে বেশ কয়েক বার অসুস্থতার জন্য তাঁকে লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। আমাদের কাছে তিনি সর্বশেষ একটি কবিতা পাঠান, যা ‘সাময়িকী’ পাতায় ৮ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু এরই মধ্যে গত ১৯ অক্টোবর তাঁর ইমেইল থেকে একটি লেখা সম্পাদকীয় বিভাগে আসে। লেখাটি তাঁর ইমেইল থেকে আমাদের কাছে এলেও এর কিছু অংশ একজন বিশেষ ব্যক্তিকে নিয়ে লেখা বিধায় আমরা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ না করে প্রকাশ করতে চাইনি। আমরা একাধিকবার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে ফোন করি, কিন্তু উনি ফোন ধরতে পারেননি।

আমরা জানতাম উনি অসুস্থ। এর মধ্যে একাধিক জায়গা থেকে জানানো হয় যে, উনি অত্যন্ত অসুস্থ বিধায় মুখে মুখে ডিকটেশন দিয়ে আমাদের কাছে ১৯ অক্টোবর তাঁর ইমেইল থেকে প্রেরিত লেখাটি লিখেছেন। ফলে ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত ‘ডিজিটাল ইতিহাস বিকৃত কারা করে?’ শিরোনামের লেখাটি প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পুরো বিষয়টি ছিল একটি অনভিপ্রেত ঘটনা। তিনি আমাদের কাছে এ মর্মে গতকাল ২৪ অক্টোবর এই চিঠিটি পাঠিয়েছেন।