জনপ্রিয় অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। গতকাল রবিবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। এই অভিনেতার ছোট ভাই ম. হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রবিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে মাহমুদ সাজ্জাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ সোমবার সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ সকাল ১১টায় শিল্পকলা একাডেমি প্রঙ্গণে নেওয়া হবে। এরপর ময়মনসিংহে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। তারপর কোভিড নেগেটিভ আসে। কিন্তু করোনা-পরবর্তী জটিলতার কারণে আবারও তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। সবচেষ্টা থামিয়ে দিয়ে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। ভাইয়ের বিদেহী আত্মার জন্য দেশবাসী এবং শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ম. হামিদ।
মাহমুদ সাজ্জাদ কলেজজীবন থেকেই মঞ্চ নাটকে যুক্ত ছিলেন। তিনি নাট্যচক্র দলের হয়ে অভিনয় করেন ‘লেট দেয়ার বি লাইট’, ‘স্পার্টাকাস’, ‘জনক’সহ বেশকিছু নাটকে। নিয়মিত টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন মাহমুদ সাজ্জাদ। তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘সকাল সন্ধ্যা’। পরিচালক জহির রায়হানের ‘সংসার’, খান আতাউর রহমানের ‘ঝড়ের পাখি’, ‘আপন পর’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন তিনি।
পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় মাহমুদ সাজ্জাদ, মেজো ভাই ম. হামিদ বাংলাদেশের টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও ছোট ভাই কে এম খালিদ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। মাহমুদ সাজ্জাদের স্ত্রী মমতাজ বেগম। উপল ও অঞ্জন নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
