প্লট আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে বিএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যানকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৭

প্রতারণা, জালিয়াতি করে সরকারি প্লট আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এন এইচ বুলু এবং আনোয়ার আলম নামের এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ও উপ-পরিচালক সুভাষ দত্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদক সূত্র জানিয়েছে, রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি সরকারি প্লট জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এদিকে গতকাল বিকালে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এম এন এইচ বুলু সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়েছে। বিস্তারিত আপনারা দুদকের কাছ থেকে জেনে নেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, মিরপুরের বাসিন্দা আনোয়ার আলম রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের বেশ কয়েকটি সরকারি প্লট জালিয়াতি করেন। এর মধ্যে গুলশান-২ বাণিজ্যিক এলাকার ২০ ও ২০/এ হোল্ডিংয়ের ১ বিঘা ৩ কাঠা সাড়ে ৮ শতাংশ প্লটটি বিএনএস গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান এম এন এইচ বুলুর কাছে বিক্রি করেন। দুদক সূত্র আরো জানায়, এ অভিযোগ অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের কপি সংগ্রহ করেছে। অভিযোগ বিষয়ে কয়েক জনকে এরই মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৩৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বিএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিএনএস সেন্টারের মালিক বুলুর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর মামলা করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে ১০৯ কোটি ১৭ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮১ টাকা মূল্যমানের সম্পদের তথ্য গোপন এবং ২৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬২২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তবে সে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে বলে সাংবাদিকদের জানান বুলু।