গোল্ডেন হ্যান্ডশেকে যাওয়া রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবেতর জীবন

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৭

পার্বতীপুর রেলজংশনসহ অন্যান্য এলাকা থেকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক অর্থাত্ স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জানা যায়, ১৯৯২-১৯৯৩ সালে তত্কালীন সরকারের সিদ্ধান্তে পার্বতীপুরের ৫০০সহ অন্যান্য এলাকা নিয়ে মোট সাড়ে ১০ হাজার রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বেচ্ছায় অবসরে যান। ১৯৯৪ সালে সরকারি ঘোষিত প্রজ্ঞাপনমতে, শত ভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা চিকিত্সাভাতা, ঈদ বোনাস, বাংলা নববর্ষের বোনাস পান। কিন্তু যাঁরা ১৯৯২-৯৩ সালে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন, তাঁরা সেই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এমনকি চিকিত্সাভাতাও পান না। ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ঘোষিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর পেনশনের পুরো টাকা তাঁরা তুলে নিয়েছেন, তাঁরাও এখন মাসিক ভাতা পাবেন। এছাড়া ৫ ভাগ হারে প্রতি বছর ইনক্রিমেন্টও। অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। পার্বতীপুরে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া কর্মচারীদের মধ্যে শংকর সাহা, তোজাম্মেল হোসেন, হোসেন আলী, আলতাফ হোসেন, আইয়ুব আলীসহ অনেকে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়েছেন, বর্তমানে অর্থাভাবে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে তাঁরা অবহেলিত ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ অবস্থায়, তাঁদের পেনশনের আওতায় এনে আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাই।

মোহাম্মদ শামসুল হুদা

পার্বতীপুর, দিনাজপুর