দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হচ্ছে আজ। আগামীকাল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা। এর পরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণায় নামবেন চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থীরা।
দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউপির তিন পদে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা সর্বমোট ৪৩ হাজার ৭৬৭ জন। চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৯৪৯ জন। এছাড়া বৈধ সাধারণ সদস্য প্রার্থীর সংখ্যা হচ্ছে ৩০ হাজার ৪৪৮ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯ হাজার ৩৭০ জন। তবে আপিলে বেশ কিছু প্রার্থী মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন। আজ ইসি প্রত্যাহার শেষে চূড়াস্ত সংখ্যা প্রকাশ করবে। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী রয়েছেন ৩১ ইউপিতে। আজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হলে একক প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে প্রত্যাহার শেষে এই সংখ্যা বাড়তেও পারে।
এদিকে তৃণমূলের সবচেয়ে বড় নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপে ৩৯ রাজনৈতিক দলের মধ্যে অংশ নিচ্ছে মাত্র ১৭টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টিসহ পাঁচ দলের প্রার্থী বেশি থাকলও নামে মাত্র নির্বাচন অংশ নিচ্ছে ১২টি দল।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্বিতীয় ধাপের ৮৪৬ ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দিয়েছে ৮৩৮ ইউপিতে, বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন ১১ প্রার্থী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দিয়েছে ৩৬৮ ইউপিতে, বাছাইয়ে বাদ পড়েছে ১০ প্রার্থী। জাতীয় পার্টি-জাপা প্রার্থী দিয়েছে ১০৭ ইউপিতে, বাদ পড়েছে দুই জন প্রার্থী। জাকের পার্টি প্রার্থী দিয়েছে ৪৯ ইউপিতে, বাদ পড়েছে দুই জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ২ হাজার ৬৫৫ জন, বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন ৯৯ জন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিতরা স্বতন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানালেও এই দলের নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ধাপের ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোট ৬৯১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এ ধাপে চেয়ারম্যান পদে ১২৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১১ জন প্রার্থীসহ মোট ২৭ জন দলীয় প্রার্থী রয়েছেন। আর স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৯৯ জনের। সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৪৪২ জনের। সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ১২৩ জনের।
