দুর্গাপূজা চলাকালীন চট্টগ্রামসহ সারা দেশে প্রতিমা ভাঙচুর, পূজা বন্ধ, মঠ-মন্দির-ঘরবাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, হত্যা এবং পূজার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার আইনে মামলার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে গতকাল সোমবার নগরীর আন্দরকিল্লা চত্বরে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পূজা উদ্?যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বলেন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন এখন সময়ের দাবি। অতীতে সনাতন সমপ্রদায়ের ওপর যে হামলা হয়েছিল তার সঠিক বিচার না হওয়ায় আজ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী শারদোত্সব চলাকালে হামলা চালানোর দুঃসাহস দেখিয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই এসব হামলায় যারা জড়িত তাদের যেন আর ছাড় দেওয়া না হয়। তা না হলে পূজা উদ্?যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সমাবেশে থেকে ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়।
মহানগর পূজা পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ পূজা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জি। বক্তব্য রাখেন জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি সুজিত কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, কেন্দ্রীয় পূজা পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শ্যামল পালিত, মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক সভাপতি সাধন ধর, অরবিন্দ পাল অরুন, অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, ইসকনের বিভাগীয় সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী মহারাজ, কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী প্রমুখ।
