জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জয়পুরহাটে ১৮৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন খরিপ-১ জাতের মরিচ চাষ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলার ২০০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন আগাম জাতের মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয়েছে ১৮৫ হেক্টর জমিতে। এতে উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪১৪ মেট্রিক টন ধরা হলেও উত্পাদন হয়েছে ৩৭০ মেট্রিক টন মরিচ। এছাড়া জেলায় শীত মৌসুমে ৩২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বুধবার পর্যন্ত জেলায় ২৯০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন মরিচের চাষ সম্পন্ন হয়েছে। এতে মরিচ উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৭৬ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারে রবি মৌসুমের মরিচের সঙ্গে খরিপ-১ মৌসুমের আগাম জাতের মরিচ ওঠায় দাম কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। জেলা শহরের নতুনহাট, মাছবাজার ও ক্ষেতলাল উপজেলার বটতলী বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রকারভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ বাবলু কুমার সূত্রধর জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার মরিচের আবাদ ভালো হয়েছে। বাজারে আগাম জাতের মরিচ আমদানি কম হওয়ায় দাম একটু বেড়েছে।
