মার্গারিটার টিপস পেয়ে দারুণ খুশি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৪

রিও অলিম্পিক গেমস জিমন্যাস্টিকসে স্বর্ণপদক বিজয়ী রাশিয়ান তরুণী মার্গারিটা মামুন কাল দুপুরে মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন। সেখানে আজ থেকে শুরু হবে সেন্ট্রাল সাউথ এশিয়ান আন্তর্জাতিক আটিস্টিক জিম্যানস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। নেপাল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা লড়াই করবে। প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। পুরুষ, নারী, জুনিয়র খেলোয়াড়েরা লড়াই করবেন তিন বিভাগে। গতকাল মিরপুরে জিমনেসিয়ামে মা এনা মামুনকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্গারিটা মামুন। স্বর্ণপদক বিজয়ী মার্গারিতাকে দেখে বাংলাদেশের নারী জিম্যানস্টদের চোখে-মুখে আনন্দের ঝিলিক। একজন অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী জিমন্যাস্ট এই প্রথম মিরপুরের ইনডোরে প্রবেশ করলেন। সবার সঙ্গে পরিচিত হলেন। নারী কোচ হাসনা হেনা হ্যাপী ও উপস্থিত কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।

খেলোয়াড়দের কাছে মার্গারিটা জানতে চাইলেন, বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা কীভাবে খেলেন। মার্গারিটা

৪ বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নিয়ে অলিম্পিকে খেলতে গিয়েছিলেন। তার অভিজ্ঞতার ভান্ডার পূর্ণ। এমন ক্রীড়াবিদকে কাছে পেয়ে টিপস নেওয়ার সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায়? মার্গারিটা বাংলা বোঝেন না। আর বাংলাদেশি এই জিমন্যাস্টরাও রাশিয়ান ভাষা বোঝেন না। তারপর দেখা গেল খেলার ভাষা সবার একই। সেই সুতো ধরে সবাই যেন কাছাকাছি চলে এলেন। মার্গারিটা বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন কীভাবে খেলতে হয়। কোন বিষয়গুলো নজরে রাখতে হয়। বনুফুল চাকমা, নূর আক্তার বানু, শান্তা ইসলাম, অ্যাঞ্জেলিয়ার মতো জিমন্যাস্টদের চোখ-মুখ দেখে মনে হচ্ছিল সবাই খুব সুন্দরভাবে বুঝতে পারছেন। গ্রহণ করছেন দারুণভাবে। মার্গারিটাকে বাংলাদেশের মেয়েরা বলছিলন একটু করে দেখাও। হাতে-কলমে দেখিয়ে দিলেন মার্গারিটা। ব্যালেন্স করতে হলে হাতটাকে কীভাবে রাখতে হবে, পায়ের ব্যালান্স তখন কী হবে। মার্গারিটা যখন নিজে দেখাচ্ছিলেন, তখন ছোট-বড় জুনিয়র জিমন্যাস্টরা খুশিতে আটখানা। ঘণ্টাখানেক সময় কাটিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে মার্গারিটা সংবাদমাধ্যমকে বলে গেলেন, ‘এটা আমার শেষ আসা (বাংলাদেশে) নয়। ভবিষ্যতে এদের নিয়ে কাজ করব। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কথা বলব।’