গাছে রং-তুলির খেলা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৮

ফলদ বা বনজ গাছ। কোনোটি মোটা আবার কোনোটি সরু অবস্থায় ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। নিষ্প্রাণ গাছে প্রাণ দেওয়ার তীব্র প্রয়াসে গাছের গায়ে আঁকা হয়েছে নানা কারুকাজ। বলছিলাম গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে গাছের গায়ে রং-তুলি খেলার কথা। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় শতাধিক ছোট-বড়, মোটা-সরু গাছে করা হয়েছে চিত্রকর্ম।

উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিকের উদ্যোগে করা চিত্রকর্মগুলো ইতোমধ্যে স্থানীয়দের নজর কেড়েছে। চিত্রকর্মে বলা হচ্ছে হাজারো গল্প। আর এ গল্প মানুষের, প্রকৃতির ও দেশের। চিত্রশিল্পী আহসান হাবীব সাজুর আঁকা রং-তুলির খেলা এখন এলাকাবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে।

চিত্রশিল্পী আহসান হাবীব সাজুকে এ কাজে সহযোগিতা করেন স্থানীয় আরেক চিত্রশিল্পী উপজেলার দড়িসোম গ্রামের আয়নাল হোসেন। উপজেলা পরিষদের বাসিন্দা ও সমবায় অফিসে কর্মরত আসাদুজ্জামান এরশাদ বলেন, ‘পুরো উপজেলাকে যেন রঙিন সাজে সাজানো হয়েছে। দেখতে খুব ভালো লাগছে। সারা দিন কাজ করার পর মনে ক্লান্তি থাকলেও গাছের চিত্রকর্মগুলো দেখলে নিমিষেই ভালো হয়ে যায়।’ চিত্রশিল্পী আহসান হাবীব সাজু বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে গাছ আর মানুষের যে সম্পর্ক, তা তুলে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। প্রকৃতি বাঁচলে মানুষ বাঁচবে, বাঁচবে পাখি ও জীবন। সৃষ্টির প্রতিটি জীবন একে-অন্যের সঙ্গে জড়িত।’ গাছের গায়ে রং করার কারণ খুঁজতে কথা হয় এই কাজের উদ্যোক্তা কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি চিত্রশিল্পীর মাধ্যমে তার চিত্রকর্মে সাত রঙের ব্যবহার করতে। পৃথিবীতে যত কিছুই হোক আমার বিশ্বাস বাহারি রঙের খেলায় সবার মনই রঙিন হয়ে যায়।’