লিয়াকতের রিভলবার থেকে মেজর সিনহাকে গুলি করা হয়

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১০

মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকতের ব্যবহূত সরকারি রিভলবার থেকেই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করা হয়। আদালতে এমনটি সাক্ষ্য দিয়েছেন আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষক মো. মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষী মিজান বলেন, আদালতের নির্দেশে লিয়াকতের ব্যবহূত সরকারি রিভলবারটি আমরা পরীক্ষা করি। এতে জানতে পারি, লিয়াকতের নামে ইস্যু করা সরকারি রিভলবার থেকে যে গুলি বের হয় সেই গুলিই সিনহার শরীরে পাওয়া গেছে। মেজর সিনহা হত্যা মামলার ৪৩তম সাক্ষী মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি রবির কর্মকর্তা এহছানুল করিমের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে ৬ষ্ঠ দফার দ্বিতীয় দিনের আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। মঙ্গলবারের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, এনিয়ে সর্বমোট ৫৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো। সব সাক্ষীই গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সাক্ষী হিসেবে পুলিশ, অস্ত্র পরীক্ষক ও বেসরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা রয়েছেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়। তারা হলেন বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেবনাথ। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।