পাকিস্তান-তুরস্কের মধ্যে বিবাদের প্রথম লক্ষণ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৬

তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও বিভিন্ন ইস্যুতে এতে চিড় ধরতে পারে। বিশেষ করে কাশ্মির ইস্যুতে আঙ্কারা শক্ত অবস্থান থেকে সরে আসা এর বড় একটি কারণ হয়ে সামনে চলে আসতে পারে।

এ বিষয়ে ইতালিয়ান অনলাইন গণমাধ্যম ইনসাইডওভারে এক প্রতিবেদন লিখেছেন ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ সার্হিও রেস্তেলি। তিনি বলেন, কাশ্মির নিয়ে তুরস্কের ভূমিকায় নাখোশ পাকিস্তান।

পাকিস্তানের জন্য কাশ্মির অন্যতম বড় একটি ইস্যু। সেই ইস্যুতে তুরস্কের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইমরানের দেশ।

Turkey, Pak want to raise bilateral trade volume to $5 bn - Fibre2Fashion

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অতীতে খারাপ সম্পর্ক থাকা রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ শুরু করেছে তুরস্ক। যাদের মধ্যে অন্যতম সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর। এই রাষ্ট্রের মধ্যে কেউ কাশ্মির ইস্যুতে সরব অবস্থান গ্রহণ করেনি। যার কারণে পাকিস্তানের আশংকা সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে তুরস্কও একই ধরণের আচরণ করে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করবে বলে মনে করেন সার্হিও রেস্তেলি।

তিনি বলেন, এরদোয়ানের এখন প্রয়োজন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন। শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ছাড়া সে লক্ষ্যে যাওয়া সম্ভব না। এ ক্ষেত্রে ভারত তুরস্কের বড় উপকারে আসতে পারে। কারণ ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। ভালো অবস্থানে যেতে হলে তুরস্ক ভারতের সঙ্গে আবারো বন্ধুসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলবে। এমন হলে সংকটে পড়বে পাকিস্তান।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জঙ্গিবাদে মদদের অভিযোগে ফিনানশিয়াল একশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) ধূসর তালিকায় নাম এসেছে তুরস্কের। এমন পরিস্থিতি এড়াতে পারেনা এরদোয়ানের সরকার। তাই কাশ্মির ইস্যুতে উপেক্ষা করেই অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে তারা। এমন কর্মকান্ডে নাখোশ পাকিস্তান। হয়তো দুই দেশের সম্পর্কের ফাটল এখান থেকেই শুরু হতে পারে।

ইত্তেফাক/টিআর