মন্দিরে হামলা প্রতিমা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ
নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
ভাণ্ডারিয়ায় গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে স্থানীয় শহিদ মিনার-সংলগ্ন সড়কে প্রতিবাদী মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি শারদীয় দুর্গোত্সবকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া, বিভিন্ন জেলায় মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, নোয়াখালীর ইস্কন মন্দিরের সেবাইতের নির্মমভাবে হত্যা, চাঁদপুরের পূজারী হত্যা, লুটপাট এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মহারাজ। উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কিরন চন্দ্র বসুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—উপজেলা জাতীয় পার্টি-জেপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খশরু জোমাদ্দার, উপজেলা জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্য সচিব ও ধাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি লিয়াকত হোসেন তালুকদার, টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রশিদ তারিক, উপজেলা জাতীয় পার্টি-জেপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মৃধা, উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সম্পাদক উত্তম চন্দ্র দাস প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের অন্য যে কোনো স্থানের চেয়ে ভাণ্ডারিয়ায় আমাদের নেতা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি-জেপি সব সময় একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ সহাবস্থান রেখে চলতে শিখিয়েছেন। ভাণ্ডারিয়ায় সংখ্যালঘু বা সংখ্যা গুরু বলে কোনো শব্দ নেই। এখানে যে যার ধর্ম অতীত থেকে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে পালন করে আসছেন। কিন্তু এই সম্প্রীতি যাতে বাইরের কোনো অপশক্তি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি তার দলীয় নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগ, সুশীলসমাজের নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি দীর্ঘ ৩৮ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তার নির্বাচনি এলাকায় (ভাণ্ডারিয়া-কাউখালী-ইন্দুরকানীর) ভিন্ন মতাদর্শের মানুষকে সব সময়ে উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা বলে অসছেন এবং তা রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
