ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহেক সাত ঘণ্টা জেরা আসামির আইনজীবীদের

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৭

পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে। বিচারকার্যের ষষ্ঠ দফার শেষ দিনে দুই জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এক জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হলেও অপর জনের জেরা বাকি রেখেই পরবর্তী দিন ধার্য করে আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়। আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া বিচারক তামান্না ফারাহকে টানা সাত ঘণ্টা জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। বুধবার আদালতে সকাল সোয়া ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা সাত ঘণ্টা কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহকে জেরা করেন আসামি ওসি প্রদীপ-লিয়াকতের আইনজীবীরা। আলোচিত এই হত্যা মামলায় রাজিব হোসেনসহ কয়েকজন আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেন তামান্না ফারাহ। এছাড়া আদালতে সাক্ষ্য দেন অপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন। তবে এই বিচারককে জেরাকালীন সন্ধ্যা ৭টায় আদালত মুলতবি ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। পরবর্তী প্রথম দিনে ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেনের বাকি জেরা দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম। ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন সিনহা হত্যার অন্যতম আসামি আবদুল্লাহ আল মামুন, এসআই শাহজাহান আলী ও  ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন।

পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ বলেন, সাক্ষ্যগ্রহণে ষষ্ঠ দফার শেষ দিনে দুজন বিচারকসহ ছয় জন সাক্ষীর হাজিরা দেওয়া হয়। তার মধ্যে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হলেও অপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেনের সাক্ষ্য মুলতবি রয়েছে। এ সময় এ দুই বিচারক আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদালতে উপস্থাপন করেন। হাজিরা দেওয়া অন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্যও নেওয়া যায়নি। আদালত আগামী মাসের ১৫, ১৬ ও ১৭ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছে বলে জানান পিপি।