ভর্তি-সেমিস্টার ফি কমানোর দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২১

ভর্তি-সেমিস্টারসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়ায় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম। 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে ভবনগুলোতে তালা দেন তারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রতি সেমিস্টারের বেতন, পরিবহনসহ বিভিন্ন ফি কমানো এবং বিভাগ উন্নয়ন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট, স্টুডেন্ট গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সিলিং ফিসহ কয়েকটি ফি বাতিল করে অবিলম্বে নোটিশ দিতে হবে। সে পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এছাড়া একটি সেমিস্টার আমরা ঘরে বসেই সম্পন্ন করেছি, তখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল। ঐ সেমিস্টারের সব ফি মওকুফ করতে হবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল রাজু বলেন, সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তারিখ দিলে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবিসহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের হেয়প্রতিপন্ন ও অবজ্ঞা করে কর্তৃপক্ষ তারপর দিনই বর্ধিত ফিসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তাই এবার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। 

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, করোনাকালীন শিক্ষার্থীরা প্রথম সেমিস্টার ঘরে বসে সম্পন্ন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নোটিশ দিয়ে পরিবহন, গ্রন্থাগার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট, স্টুডেন্ট গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সিলিং, বিভাগ উন্নয়ন ফিসহ সব ফি দিয়ে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে বলে। এগুলো ব্যবহার না করেও আমাদের টাকা দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফি-সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান করব। ইতিমধ্যে আমরা করোনাকালের পরিবহন ফি এবং হল ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করেছি। এছাড়া আরও কিছু ফি কমিয়েছি। এর পরও শিক্ষার্থীদের কোনো দাবি থাকলে আমি সেগুলো শুনব।

ইত্তেফাক/এমএএম