এখনো সভ্য সমাজের বাসা ভাড়া পায় না তারা। স্কুলে দলিত শিশুদের পরিচয় জানা গেলে দেখা যায় নানা বৈষম্য। অনেক চিকিত্সক তাদের চিকিত্সাসেবা দিতে চান না—এমন পরিস্থিতিতে কেউ কেউ নিজেদের শিক্ষিত করে বিভিন্ন পেশায় প্রবেশ করেছে। পরিচয় জানা গেলে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয় দলিত নারীরা। তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বৈষম্য বিলোপ আইন জরুরি বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞজন। গতকাল নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতায় নিজ কার্যালয়ে দলিত নারী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এ সব কথা বলেন তারা। অনুষ্ঠানে সহযোগী সংস্থা ছিল বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দলিত নারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনি রানী দাস। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নাগরিক উদ্যোগের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর নাদিরা পারভীন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের কর্মসূচি কর্মকর্তা সনু রানী দাস। বিষয় বস্তুর ওপর আলোচনা করেন সংগঠনের মাঠ সমন্বয়ক তামান্না সিং বাড়াইক এবং বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু।
