ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশে ২০০৬ সালে ক্লিনফিড প্রচার সংক্রান্ত আইন প্রণয়ণ করা হলেও দীর্ঘদিন তা কার্যকর না হওয়ায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় সরকার ক্লিনফিড প্রচার সংক্রান্ত আইন বাস্তবায়ন করেছে। ক্লিনফিড প্রচারের পাশাপাশি পে-চ্যানেল ব্যবস্থা শুরু হলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অনুষ্ঠানের মান বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কলাকৌশলীদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। গতকাল তেজগাঁওস্থ এফডিসিতে ‘ক্লিনফিড প্রচারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মান উন্নয়ন’ নিয়ে এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, গত ১ অক্টোবর থেকে তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য স্বস্তির পথ তৈরি করেছে। তারপরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের একটা অংশ চলে যাওয়ায় গণমাধ্যমের অর্থ উপার্জনের পথ দিনে দিনে সংকুচিত হচ্ছে।
প্রতিযোগিতায় সিটি ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়। বিচারক ছিলেন—ড. এস এম মোর্শেদ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে মিল্টন আনোয়ার, আব্দুল্লাহ তুহিন, জান্নাতুল বাকেয়া কেকা ও তানভীর তারেক।
