সড়কে সারিবদ্ধ অটো-সিএনজি
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
ফুলবাড়ীতে সিএনজি-অটোবাইকে ওঠা-নামার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্ট্যান্ড না থাকায় ব্যস্ততম সড়কেই সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। আর এতে উপজেলা সদরের পুরো শহর জুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারীরা। সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা শহরের তিনকোনা মোড় থেকে কলেজ মোড় হয়ে সোনালী ব্যাংক, অন্যদিকে উপজেলা গেট এবং খাদ্য গুদাম পর্যন্ত যাতায়াতের প্রধান সড়কের দুই পাশে রাখা হয়েছে অটোরিকশা, সিএনজি, অটোবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। প্রতিদিনই ব্যস্ততম সড়কে সারিবদ্ধভাবে অটো-সিএনজি রাখার কারণে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। এরশাদুল হক, জীবন মিয়া ও মোস্তাফিজুর রহমানসহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, জরুরি প্রয়োজনে উপজেলার ছয় ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন উপজেলা সদরে আসেন। সদরে নির্দিষ্ট সিএনজি ও অটোবাইকের স্ট্যান্ড না থাকায় এভাবেই মূল সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অটো-সিএনজিসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রাখছে এবং ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠা-নামাসহ সড়কেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উঠানো কিংবা নামানোর কারণে দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে। মূল সড়কের পাশে ঐশি টেলিকমের মালিক ওসমান গণি ও কাপড় ব্যবসায়ী একরামুল হক জানান, সড়কের দুই পাশে অটোবাইক ও সিএনজি রাখার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লাগার কারণে ক্রেতারা আসতে না পাড়ায় দোকানের বিক্রি কমে যাচ্ছে।
বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তাফা সরকার জানান, মূল সড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে উপজেলা সদরের দুই শতাধিক ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। তিনি দ্রুত যানজট নিরসনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও ফুলবাড়ী থানাপুলিশের কাছে জোর দাবি জানান। ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, ফুলবাড়ী সদরের যানজট নিরসনে পুলিশ প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করছে। ঐ এলাকা যানজটমুক্ত করতে ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ট্রাফিক পুলিশের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন দাস জানান, সদরের যানজট নিরসন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ট্রাফিক পুলিশের জন্য আবেদন জানানো হবে।
