দিনাজপুরে অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশায় দুর্ভোগ

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২১, ২১:২৪

ঘটছে দুর্ঘটনা

মতিউর রহমান, দিনাজপুর

দিনাজপুর শহরে অতিরিক্ত অটোরিকশার কারণে যানজট লেগেই থাকে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন পৌরবাসী। জানা গেছে, শহরে চলছে অনিয়ন্ত্রিত প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার অটোরিকশা। এর পরও দিনদিন বেড়েই চলেছে অনুমোদনহীন অটোরিকশার চলাচল। দেখা গেছে, রাস্তার প্রসারতা কম ও বেহাল দশার ওপর দিয়ে অদক্ষ অটোচালকদের বেপরোয়া চালনা, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে না চলা, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠা-নামা করার কারণে একদিকে বাড়ছে যানজট এবং অন্যদিকে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। মেনে চলছে না ট্রাফিক আইন। এখনো বেশির ভাগ অটোতে সন্ধ্যার পর হেড লাইট জ্বলে না। জ্বলে না কোনো সিগন্যাল বাতি। এদিকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, রাস্তাঘাটে যেখানে-সেখানে অটো থামানোর ফলে তাদের ব্যাবসায়িক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির আগেও পৌরসভার অনুমতিপ্রাপ্ত নির্দিষ্টসংখ্যক অটো চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। দিনাজপুর শহরের লিলি মোড়, মডার্ন মোড়, সদর হাসপাতাল মোড়, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড, চৌরঙ্গী মোড়, ভুটি বাবুর মোড়, চারুবাবুর মোড়, মালদহপট্টি, চারুবাবুর মোড়, কালিতলা এলাকায় দিনের কিছু সময় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত অটোরিকশার কারণে সেসব স্থানে অন্য যানবাহন নিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।

রিকশা শ্রমিক মোহাম্মদ রফিক বলেন, আমরা পৌর ট্যাক্স দেই। আমাদের মোড়ে নির্ধারিত স্ট্যান্ডগুলো আর নেই। হয় বেদখল, নয়তো অটোসহ বিভিন্ন যানবাহনের স্ট্যান্ড হয়েছে। অটোচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, পরিবেশবান্ধব, মানুষের স্বল্প খরচ এবং স্বল্প সময়ে পৌঁছে দিতে অটো সার্ভিস চালু হয়েছিল। অনতিবিলম্বে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া শহরে যেন কোনো অটো চলতে দেওয়া না হয়।

দিনাজপুর পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৪ হাজারের মতো অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। তবে শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারিভাবে অটো চালানোর কোনো নির্দেশনা না থাকায় পৌরসভা কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না।