স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সুফল পাচ্ছে। কমিউনিটি পুলিশের অনেক দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমরা তো ঘরে ঘরে পুলিশ দিতে পারি না। ঘরে যেসব জনসাধারণ আছেন, তারা যদি সচেতন থাকেন এবং রিয়েল টাইম পুলিশকে তথ্য দেন তাহলে অনেক ঘটনা আগে থেকে রোধ করা সম্ভব। গতকাল শনিবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে অবস্থিত শহিদ শিরু মিয়া মিলনায়তনে কমিউনিটি পুলিশিং দিবস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ ধীরে ধীরে জনতার পুলিশ হয়ে উঠছে। প্রথম যখন করোনা হানা দেয় তখন আমরা দেখেছি, বাবা-মা মারা যাওয়ার পর ছেলে তাদের মরদেহ ভয়ে নিয়ে যায়নি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা তখন এগিয়ে এসেছেন। এসব মরদেহ দাফন করেছেন।
কমিউনিটি পুলিশিং নিয়ে তিনি বলেন, ৫০-৭০ বছর আগের চিত্র দেখলে দেখা যায়, অভিযোগ করার একদিন পরে হয়ত গ্রামবাংলায় পুলিশ যেত। ঢাকা জেলার অনেক স্থানেও একই অবস্থা ছিল। আমরা কমিউনিটি পুলিশিং শুরু করেছি।
সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে ধরনের উসকানি আসছিল, যেভাবে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিল, জনগণকে আকৃষ্ট করে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। আমাদের পুলিশ ও জনগণ একত্রিত হওয়ার কারণে এ অবস্থা থেকে আমরা নিস্তার পেয়েছি। সাইবার ক্রাইম ধারণার বাইরে বেড়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ ও ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
