ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) ১২টি ক্লাবের রিটেইন তালিকা (ধরে রাখা) চূড়ান্ত হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আগের আসর থেকে রিটেইন করা তিন ক্রিকেটারের নাম দিয়েছিল ১০টি ক্লাব। গতকাল প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ থেকে প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসা বিকেএসপি এবং উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাবও তাদের তিন ক্রিকেটার বেছে নিয়েছে। গতকাল ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) কার্যালয়ে দুই ক্লাবকে সুযোগ দেওয়া হয় তিন ক্রিকেটার দলে ভেড়ানোর।
উত্তরা স্পোর্টিং তাদের প্রথম বিভাগের দল থেকে কাউকে রাখেনি। তারা দলে টেনেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাব্বির রহমান, দুই বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু ও সানজামুল ইসলামকে। বিকেএসপি অবশ্য নিজেদের ক্রিকেটারই ধরে রেখেছে। তাদের তিন ক্রিকেটারই বর্তমান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার। গতকাল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সমন্বয়ক আমিন খান জানিয়েছেন, বিকেএসপি ধরে রেখেছে শামীম হোসেন পাটোয়ারী, আকবর আলী ও পারভেজ হোসেন ইমনকে।
ইতোমধ্যে ১২টি ক্লাবে তিনজন করে ৩৬ ক্রিকেটার দল পেয়ে গেছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি প্লেয়ার বাই চয়েজ লটারির দলবদল তথা প্লেয়ার্স ড্রাফটে তোলা হবে প্রায় ২৪০ জন ক্রিকেটারের নাম।
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সিংহভাগেরই প্রিমিয়ার লিগে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই পূর্ণ লিগ খেলতে পারবেন না। শুধু ওয়ানডে দলে থাকা ক্রিকেটাররা সব ম্যাচ খেলতে পারেন। সিসিডিএম ড্রাফটে উল্লেখ করে দিবে কোন ক্রিকেটারকে কত তারিখ থেকে পাওয়া যাবে।
গতকাল সিসিডিএমের ইনচার্জ তৌহিদ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জাতীয় দলের কিছু কিছু প্লেয়ারকে প্রিমিয়ার লিগে পাওয়া যাবে না। তারপর আছে মুশফিক, তামিম, সাকিব। এছাড়া যারা ওয়ানডে ও টেস্ট স্কোয়াডে আছে, তাদের ব্যাপারে বলে দিয়েছি কে কখন থেকে তাদেরকে পাওয়া যাবে। যারা ওয়ানডে স্কোয়াডে আছে, তারা হয়ত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে থাকছে। যদি মার্চের প্রথম সপ্তাহে লিগ শুরু করি, তাহলে ধরে নিতে পারি তারা পুরো ডিপিএলে খেলার উপযোগী থাকবে। যারা টেস্ট স্কোয়াডে থাকছে, তারা ২২ মার্চের পর থেকে থাকছে।’
এবার ড্রাফটে আইকন তালিকা থাকছে না। এ-প্লাস ক্যাটাগরিতে থাকছেন জাতীয় দলের নয় ক্রিকেটার। তাদের প্রত্যেকের পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে সিসিডিএম। তৌহিদ মাহমুদ বলেছেন, ‘আমরা অবশ্য বলে দিচ্ছি কে কত পাবে। মাশরাফি কত পাবে, লিটন কত পাবে, মিরাজ-ইমরুল কত পাবে।’ এছাড়া প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে সব ক্রিকেটারকে সাত ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হচ্ছে।
