গ্রামীণ ওইসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থী,
ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষ আসা-যাওয়া করে
মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
মুক্তাগাছায় অপরিকল্পিতভাবে পুকুর তৈরি করায় তীরবর্তী অনেক গ্রামীণ রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ চরম জনদুর্ভোগে পড়ছেন স্থানীয় ও চলাচলকারী মানুষ। অনেক স্থানে রাস্তা ঘেঁষে খনন করা পুকুরের কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পুকুর সংলগ্ন রাস্তার ধারে পাইলিং করে প্রতিরক্ষামূলক দেওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে ভাঙা স্থানগুলো সংস্কারের দাবি করেছেন তারা।
উপজেলার পৌর এলাকা, দুল্লা, বড়গ্রাম, তারাটি, কুমারগাতা, মানকোন, ঘোগা, দাওগাঁও, কাশিমপুর ও খেরুয়াজানি ইউনিয়নের অনেক স্থানে এরকম চিত্র দেখা যায় ।
পুকুর সংলগ্ন গ্রামীণ ওইসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষ আসা-যাওয়া করে। পুকুরে থাকা স্থানগুলোতে রাস্তা ভেঙে পুকুরে চলে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের দাবি পুকুরগুলো খননের সময় বিধি অনুযায়ী যতটুকু পাড় রাখার কথা, ততটুকু না রাখাতেই রাস্তা ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, পুকুর খননের সময় কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করেই খনন করা হয় । অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনুমতি নেয়নি পুকুর মালিকরা। যার মাসুল গুনতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ণা সরকার জানান, মানকোন ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের একটি গ্রামীণ রাস্তা। পুকুরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে রাস্তাকে। ফলাফল রাস্তা মাটি ধুয়ে এবং ক্ষয়ে ধীরে ধীরে বিলীন হবার পথে। এলাকাবাসী নিজেরা সচেতন না হলে এ সকল গ্রামীণ রাস্তা রক্ষা করা খুব কঠিন।
