ভুয়া বিল থেকে রেহাই চুরি হয়রানি বন্ধ

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৫১

চট্টগ্রামে প্রি-পেইড মিটার চালুর পর বিদ্যুত্ চুরি, অপচয় ও বিল নিয়ে গ্রাহক হয়রানি কমেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে রাজস্ব আদায়। সাশ্রয়ও হচ্ছে বিদ্যুত্। এই  প্রেক্ষাপটে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুতের সকল গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। বর্তমানে দুই দফায় ৪ লাখ গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারের আওতায় এসেছে। কর্মকর্তারা জানান, প্রি-পেইড মিটার চালু হওয়ার পর বিদ্যুত্ বিভাগ ও গ্রাহক উভয়পক্ষই উপকৃত হচ্ছে। ভুয়া ও অতিরিক্ত বিলের বোঝা থেকে রেহাই পাচ্ছে গ্রাহকরা। বিদ্যুত্ চুরি অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে। তবে যেসব গ্রাহক পর্যায়ে বেশি বিদ্যুত্ চুরির অভিযোগ আসে সেইসব ভারী শিল্প-কারখানাগুলোকে এখনো প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা যায়নি। পিডিবি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে চট্টগ্রামে প্রি-পেইড মিটারিংয়ের কাজ শুরু হয়। ‘প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রজেক্ট ফর ডিস্ট্রিবিউশন সাউদার্ন জোন’ নামক প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু হয়। দুই দফায় নগরীর ১২টি বিতরণ বিভাগে ৪ লাখ নতুন গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে আরো ২ লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারিংয়ের আওতায় আনার জন্য প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে পিডিবি চট্টগ্রাম জোন গঠিত। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতেই প্রি-পেইড মিটার বসানো হয়েছে। পরবর্তী প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও পটিয়ায় বিদ্যুত্ গ্রাহকদের মধ্যে প্রি-পেইড মিটার বসানো হবে। জানতে চাইলে পিডিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন ইত্তেফাককে বলেন, ‘প্রি-পেইড মিটারিংয়ে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হচ্ছে না। ইতিমধ্যে যেসব মিটার বসানো হয়েছে তাতে দৈনিক ১০/১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ সাশ্রয় হচ্ছে। গরমকালে ৪০/৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ সাশ্রয় হবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১০ লাখ বিদ্যুত্ গ্রাহকদের মধ্যে ৪ লাখ গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারিংয়ের আওতায় এসেছে। আরো ২ লাখ গ্রাহককে এর আওতায় আনা হবে।’