বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

কেন চীনের এই পরমাণু অস্ত্রসম্ভার

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৩২

পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার সমৃদ্ধ করছে চীন। ২০৩০-এর মধ্যেই এক হাজার পরমাণু অস্ত্র তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে পেন্টাগন।

পেন্টাগনের বক্তব্য, আক্রমণের জন্য চীন এভাবে পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি করছে না। তারা শক্তির পরীক্ষায় অ্যামেরিকা এবং রাশিয়াকে টেক্কা দিতে চাইছে। ক্ষমতার ভারসাম্যে নিজেদের ওজন অনেকটা বাড়িয়ে নিতে চাইছে। পাশাপাশি অ্যামেরিকার উপর চাপ তৈরি করে রাখতে চাইছে। চাইলে তারাও যে সমান শক্তি নিয়ে আক্রমণ চালাতে পারে, সেই বার্তা দিয়ে রাখছে।

সম্প্রতি চীন একটি মিসাইলের পরীক্ষা করেছে। গোটা পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে পারে যে মিসাইল। তারপরেই নিজেদের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই ঘটনার পরপরই কংগ্রেসে পেশ করা হলো পেন্টাগনের রিপোর্ট।

দীর্ঘ দিন ধরেই একটু একটু করে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডারের শক্তি বাড়াচ্ছে দেশটি। কিন্তু যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে তারা এগোচ্ছে তাতে বিশ্বের অন্য দেশগুলির দুশ্চিন্তা বাড়ছে। পেন্টাগনের ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সেনার পাশাপাশি নৌ, বিমানবাহিনীকেও পরমাণু শক্তিধর করার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে বেইজিং।

২০২০-তে আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যে তথ্য দিয়েছিল সেখানে বলা হয়েছিল ২০৩০-এর মধ্যে ৪০০টি পরমাণু অস্ত্রের মালিক হবে চীন। কিন্তু তাদের সেই ধারণাকে একেবারে ভুল প্রমাণিত করেছে এ বছরের রিপোর্ট। ৪০০ নয়, চীন এক হাজার পরমাণু অস্ত্রের ক্ষমতাসম্পন্ন দেশ হতে হতে চলেছে আগামী নয় বছরের মধ্যে।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীন গত কয়েকবছর ধরেই শক্তিবৃদ্ধি করছে। একদিকে চীনের নৌবহরকে যেমন ঢেলে সাজানো হচ্ছে, তেমনই ওই অঞ্চলে নিজেদের শক্তিবৃদ্ধি করছে চীন। এ নিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। বাইডেন আসার পরেও এবিষয়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়নি।

ইত্তেফাক/এএইচপি

ইত্তেফাক অনলাইন ডেস্ক