কক্সবাজারে দুর্বৃত্তের হামলায় গুলিবিদ্ধ শ্রমিকলীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২১, ১৫:০৮

কক্সবাজারের টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের প্রবেশমুখ লিংকরোডে দুর্বৃত্তের হামলায় গুলিবিদ্ধ জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম মারা গেছেন। রবিবার (৭ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১ টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। 

জেলা শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হামলায় নিহতের ছোট ভাই ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী বর্তমান মেম্বার কুদরত উল্লাহ সিকদারও গুলিবিদ্ধ হন। তিনিও চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ৫ নভেম্বর রাত সোয়া ১০ টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেল ও সিএনজি যোগে লিংকরোডস্থ কুদরত উল্লাহর অফিসের সামনে এসে অতর্কিত গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ জহির ও মেম্বার কুদরতকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় দুইজনকে রাতে চমেক হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে মারা যান জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম।

জহিরুল ইসলাম। ছবি: ইত্তেফাক

নিহত জহিরের ভাগিনা আলাউদ্দিন জানান, শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লিংকরোড় এলাকায় যানবাহনে ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধ পরিবহন শ্রমিকরা। পরে কক্সবাজার সদর থানার পুলিশ গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নেয়।

সূত্র জানায়, লিংকরোডে কুদরত উল্লাহ তার ব্যক্তিগত অফিসে বসে জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও তার বড় ভাই জহিরুল ইসলামসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল ও সিএনজি নিয়ে একদল লোক এসে অফিসের ভেতরে গুলি করে পালিয়ে যায়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ওয়ার্ডের অপর মেম্বার প্রার্থী লিয়াকত ও তার বাহিনী এসে গুলি করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন আহত কুদরত।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, গুলির ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু খবরে ভাংচুর চালানোর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। অভিযোগ পেলে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করেন ওসি।

ইত্তেফাক/এএএম