মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২, ৪ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

‘কুমিল্লায় সহিংসতায় পুলিশের ভূমিকা তদন্ত হওয়া উচিত’

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২১, ১৭:০৬

এবারের দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা তদন্ত করে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) 'গণজাগরণই পারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে' শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি গণজাগরণই পারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির ছায়া সংসদের মাধ্যমে তরুণ সমাজে একটি অসাম্প্রদায়িক মনোভাব তৈরি হবে”।

উভয় দলের যুক্তি-তর্কের উপর আলোকপাত করে কমিশনার বলেন, “এখানে সরকারি দল গণজাগরণের পক্ষে এবং বিরোধী দল আইন প্রণয়নের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু আমরা দেখেছি সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্র নিহত হওয়ার পর গণজাগরণের মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন করা হলেও আজও আমরা পিতা-মাতার সাথে স্কুল ছাত্রের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের চিত্র দেখতে পাই। কিন্তু না, আমাদের ভিতর থেকে পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের সন্তানকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে”।

এক প্রশ্নের উত্তরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটবে কি ঘটবে না এটা বলা যেমন অসম্ভব, তেমনি ধারণা করাও খুব কঠিন। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে মাননীয় আইজিপি স্যার কর্তৃক ইতোমধ্যে সকল ওসি, এসপিদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কেহ কোন উস্কানিমূলক বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনে এমন পোস্ট দেখলে লাইক বা শেয়ার না করে সাথে সাথে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করেন ডিএমপি কমিশনার।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এদেশে সব ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযোগ্যভাবে পালনের ঐতিহ্য রয়েছে। চিরায়ত ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার এই ঐতিহ্যের বিচ্যুতি কোনভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার গণজাগরণ। এই গণজাগরণের সম্মুখসারিতে থাকবে আজকের এই তরুণরা। একইসাথে ধর্মীয় সহিংসতা রোধে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, নাগরিক সংগঠন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, ইসলামিক স্কলার, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও জনপ্রতিনিধিসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সংসদ অধিবেশনকে ঘিরে যে বিধিনিষেধ দিলো ডিএমপি

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫১

সরকারি বাঙলা কলেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭৪

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭০

পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, বিলাসী জীবন

রাজধানীতে মাদক বিরোধী অভিযান, গ্রেফতার ৭১

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৫৯