২০২২ সালে চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শীতকালীন অলিম্পিক। বিভিন্ন ইসু্য সামনে এনে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ এ অনুষ্ঠান এরই মধ্যে কূটনৈতিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্প্রতি বিরোধে জড়িয়েছে চীন। এসেছে পালটাপালটি হুমকি-হুঁশিয়ারি। তবে পশ্চিমাদের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক ভাচুর্য়াল বৈঠক করেছেন। এ সময় শি জিনপিংয়ের কাছে অলিম্পিকে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন পুতিন। পুতিন বলেছেন, ‘আমার পরিকল্পনা আছে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকে যোগ দেওয়ার ও জিনপিংয়ের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার।’
ভাচুর্য়াল শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে পুতিন ও শি জিনপিং তাদের মধ্যে চলমান সম্পর্কের প্রশংসা করেন। পুতিন এ সম্পর্ককে ২১ শতকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতার একটি সঠিক উদাহরণ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। পুতিন বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে নতুন মডেলের সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ পরিহার, একে অপরের ওপর শ্রদ্ধা, স্বার্থ, সীমান্েত শান্িত ও দৃঢ়তার ওপর ভিত্তি করে এই সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। শি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট খুব জোরালোভাবে চীনের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সমর্থন করেন। রাশিয়ার কার্যক্রমেরও প্রশংসা করেছেন চীনের এ নেতা।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা জানিয়েছে, বেইজিং অলিম্পিকে তারা উচ্চ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা পাঠাবে না। তবে তাদের দেশের অ্যাথলেটরা এতে অংশ নেবেন। দেশগুলোর এমন সিদ্ধান্েতর সমালোচনা করে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে চীন। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন পালটা ব্যবস্হা নেবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
