ইবিতে বেপরোয়া বাইকারদের দৌরাত্ম্য

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:৪৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বেড়েছে বেপরোয়া মোটরবাইকারদের দৌরাত্ম। ক্যাম্পাসে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানো, উচ্চস্বরে হর্ন বাজানো, ছাত্রী হলের সামনে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও উত্ত্যক্ত করা, যেখানে-সেখানে ধূমপানসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি অনিরাপত্তায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, ডায়না চত্বর, মফিজ লেক, ছাত্র ও ছাত্রী হলসহ ক্যাম্পাসের অন্যান্য সড়ক দিয়ে সারাদিনই সাধারণ শিক্ষার্থীরা চলাচল করেন। এসব সড়কে বেপরোয়া গতিতে চলে মোটরসাইকেল ও ব্যাক্তিগত যানবাহন। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক এলাকায় দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালাতে নিষেধ করায় দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। 

মাইশা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা উচ্চস্বরে হর্ন বাজিয়ে দ্রুত গতিতে বাইক চালায়। এছাড়া হরহামেশাই বাইক নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ছে বহিরাগতরা। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ইভটিজিং এর মতো ঘটনা। 

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, বহিরাগতদের রুখতে ক্যাম্পাসে চেকিং বৃদ্ধি করা হবে। আবাসিক এলাকায় গতিরোধক দেয়া ও ক্যাম্পাসে গাড়ি চলাচল সীমিত করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। আইটি সেল পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে, তারা অচল সিসিটিভি ক্যামেরার বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে‌ন।

জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়রকে মারধরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনজন সহকারী প্রক্টর দুপক্ষকে নিয়ে বসেছেন।

ইত্তেফাক/এসটিএম