রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও আমাদের প্রত্যাশা

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৫

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদটি বেশ কমাস ধরে শূন্য ছিল। সেই শূন্যতার সুযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে গেছে। বিশেষ করে এক শিক্ষকের হাতে ছাত্রদের চুল ছেঁটে দেওয়ার একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ে মারাত্মক অস্হিরতা দেখা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি যেহেতু আমার বাড়ির পাশে, সমস্যা হলে আমাকেও তা স্পর্শ করে। বুঝতে পারছিলাম, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের পক্ষে উদ্ভূত পরিস্হিতির স্হায়ী সমাধান দেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদটি দ্রুত পূরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।

আনন্দের কথা, প্রধানমন্ত্রী কদিন আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. শাহ্ আজম শান্তনুকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যলয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগদান করেছেন। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তার কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা আছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্যবিদায়ি উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিত্ ঘোষের কাছেও আমাদের নানা রকম প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তার চার বছর মেয়াদকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ এবং ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো রকম অগ্রগতি তিনি দেখাতে পারেননি।

২০১৫ খ্িরষ্টাব্দ, বাংলা ১৪২২ সনের ২৫ বৈশাখ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপন করেন। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের খ্যাতিমান শিক্ষক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে একুশের পদকপ্রাপ্ত একজন গবেষক। তবে সম্প্রতি যাকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগদান করা হয়েছে, তিনিও আমার অতি স্নেহভাজন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে দীর্ঘ সময় ধরে আমরা কাছাকাছি আছি। তার মন-মানসিকতা এবং কর্মদক্ষতা আমার অজানা নয়। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার পরিচয় দেবেন বলে আমি আশাবাদী।

সদ্যবিদায়ী উপাচার্যের ব্যাপারে একটি বড় অভিযোগ ছিল, তিনি শাহজাদপুরে খুব কম সময় কাটিয়েছেন, ঢাকার অফিসে বসে তিনি শাহজাদপুরে অবস্হিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় চালিয়েছেন, অভিযোগটি সত্য হলে তা দুর্ভাগ্যজনক। একটি নবপ্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যদি সর্বক্ষণ তার কর্মস্হলে অবস্হান না করেন, সে বিশ্ববিদ্যালয় রসাতলে যেতে বাধ্য। একজন বিভাগীয় কমিশনার যদি বছরের বেশির ভাগ সময় তার কর্মস্হল ছেড়ে বাইরে থাকেন, সে বিভাগ যেমন ভালো চলে না, একজন জেলা প্রশাসক যদি তার কর্মস্হলে অবস্হান না করেন, সে জেলা প্রশাসনে যেমন স্হবিরতা দেখা দেয়, একজন বিচারপতি যদি তার কর্মস্হলে না থাকেন আদালতের বিচার কাজে যেমন বিঘ্ন ঘটে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যিনি উপাচার্য, তিনি যদি কর্মস্হলে অবস্হান না করেন, সে বিশ্ববিদ্যালয় ভালো চলতেই পারে না।

আমার জানা মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সরকারি ছুটির দিনগুলো বাইরে কাটানোর খুব একটা সুযোগ নেই। উপাচার্যের বাসভবনেও একটি অফিস থাকে। সরকারি ছুটির দিন বাসভবন অফিসে বসে তাকে অফিস করতে হয়। এর অর্থ একজন উপাচার্যকে ২৪ ঘণ্টাই কর্মস্হলে অবস্হান করে দায়িত্ব পালন করবার কথা। নবপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সার্বক্ষণিক উপস্হিতি আরো বেশি জরুরি।

উপাচার্য পদটিকে যে শিক্ষক শুধু চাকরি হিসেবে গণ্য করবেন, কর্মস্হলে তিনি থাকতে চাইবেন না, তিনি বলবেন সাপ্তাহিক দুদিন ছুটি কাটানো তার মৌলিক অধিকার। শুধু চাকরি করবার মনোভাব নিয়ে যদি কেউ নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তার দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন তেমন কিছু হবে না। নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানোর জন্য উপাচার্যের হূদয়ে থাকতে হবে সত্সাহস, দৃঢ় অঙ্গীকার এবং মনের গভীরে লালন করতে হবে উন্নয়নের স্বপ্ন। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মনে দৃঢ় অঙ্গীকার ও স্বপ্ন যদি না থাকে, বিশ্ববিদ্যালয় গতিশীল হতেই পারে না।

অভিযোগ আছে, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য ঢাকায় একটি অফিস আছে, বিদায়ি উপাচার্য সেখানে বসে তার কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে শাহজাদপুরে, অফিস পরিচালিত হয়েছে ঢাকায়। সিন্ডিকেট মিটিং করার জন্যও তাদেরকে শাহজাদপুরে আসতে হয়নি, ঢাকায় বসেই তারা মিটিং করতে পারতেন, সিটিং অ্যালাউন্স নিতে পারতেন। এ ব্যবস্হার পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।

শাহজাদপুর গেলেই অভিযোগ শুনতে হয় এখানে কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে, নিয়োগবাণিজ্য হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগবাণিজ্য, কথাটি শুনতেই খুব খারাপ লাগে। বিদায়ি উপাচার্য মহোদয়ের হাতে এমনটি ঘটেছে অথবা উপাচার্য মহোদয় নিয়োগবাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, তেমনটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ি উপাচার্য একুশে পদকপ্রাপ্ত একজন বড় মাপের গবেষক। গবেষণাকাজে ব্যস্ততার কারণে হয়তো তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজে যথেষ্ট সময় দিতে পারেননি। শুধু পাণ্ডিত্য থাকলেই ভালো উপাচার্য হওয়া যায়, এমন কথা ঠিক নয়। পাণ্ডিত্যের পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব এবং দায়িত্ববোধও থাকতে হয়। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ি উপাচার্য মহোদয় যে সমস্ত শিক্ষক, কর্মকর্তার হাতে প্রশাসনের দায়িত্ব দিয়ে রেখেছিলেন তাদের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির ব্যাপারে নিয়োগবাণিজ্য হতেই পারে। কাজেই এ ব্যাপারে একটা সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়। এতে ভবিষ্যতের জন্য সবাই সতর্ক হয়ে যাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি জন্মলগ্ন থেকেই রুগ্ণতায় ভুগতে শুরু করে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে এই রুগ্ণদশা থেকে মুক্ত করা হোক, নবনিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য মহোদয়ের কাছে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ একপর্যায়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্হগিত রেখেছে। নতুন উপাচার্য মহোদয়কে সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান দিতে হবে। এক্ষেত্রেও নতুন উপাচার্য মহোদয়ের ব্যক্তিত্ব এবং নেতৃত্বের দিকে আমরা তাকিয়ে থাকব।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রচলিত নিয়মে দেশের যে কোনো নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয় প্রজেক্ট ডাইরেক্টর নিয়োগের মাধ্যমে। আমাদের দাবি ছিল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হোক, যাতে একই সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পাশাপাশি চলতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি পূরণ করেছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজেক্ট ডাইরেক্টর না দিয়ে সরাসরি উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছিলেন। যার ফলে ভাড়াকৃত ভবনসমূহে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছিল প্রথম থেকেই। এটি ভালো দিক, তবে বিগত পাঁচ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্হায়ী ভবন নির্মাণের কাজ শুরু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরকে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শাহজাদপুর শহর থেকে দু-তিন মাইল দক্ষিণে বাঘাবাড়ী দুগ্ধ খামারের পশ্চিমে অবস্হিত ঠাকুর জমিদারির যে বিস্তীর্ণ এলাকায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে, সে অঞ্চলকে আমরা ‘পাথার’ বলে চিহ্নিত করে থাকি। এগুলো গরুর ‘বাথান’ হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ চমত্কার, তবে খুবই নিচু এলাকা। বন্যার সময় এলাকাটি ৪০/৫০ ফুট পানির নিচে চলে যায়। এখন পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়নি, তারপর শুরু হবে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ। মাটি আনতে হবে অনেক দূরের নদী থেকে। ড্রেজার ছাড়া মাটি ভরাটের কোনো পথ নেই। এসব কাজের জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে, এটি বাস্তব সত্য। আমার ধারণা ৮/১০ বছরের আগে ৪০/৫০ ফুট নিচু পাথার এলাকায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্হায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীরা এত দীর্ঘ সময় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃ‌র্পক্ষকে দেবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে অতি দ্রুত নিজস্ব ক্যাম্পাস দিতে না পারলে তাদের মধ্যে হতাশা এবং হীনম্মন্যতা কাজ করবে। এই সমস্যার আশু সমাধানকল্পে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিকল্প কিছু ভাবতেই হবে। এসব সমস্যাকে মাথায় রেখেই নবনির্বাচিত উপাচার্য মহোদয়কে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কিছু দিন আগে দৈনিক ইত্তেফাকে আমার একটি লেখা বের হয়েছে, লেখাটির শিরোনাম ছিল ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় : নিজ গৃহে পরবাসী’। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘকাল নিজ গৃহে পরবাসী হয়ে থাকতে চাইবে না, এটাই বাস্তবতা।

নবনিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য মহোদয়ের কাছে এ ব্যাপারে আমার একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আছে। শাহজাদপুর উপজেলা শহরের কেন্দ্রস্হলে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের ঐতিহ্যবাহী কাছারিবাড়ি। রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির জমির পরিমাণ ১৪ বিঘার মতো হবে। কাছারি বাড়িটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাড়িটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক মানের একজন আর্কিটেক্ট দিয়ে বিশ্বমানের একটি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স এখানে নির্মাণ করা যেতে পারে। রবীন্দ্র কমপ্লেক্সটি হতে হবে অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন, সেখানে থাকবে রবীন্দ্র মিউজিয়াম এবং বিশাল একটি অডিটরিয়াম। প্রকৃতপক্ষে, রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত এই কাছারিবাড়িটিই হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ঠিকানা। রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যে দায়িত্ব পালন করছে, সে দায়িত্ব অর্পিত হবে তখন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের ওপর।

কলকাতায় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় রবীন্দ্রনাথের জোড়াসাঁকোর বাড়িটিকে কেন্দ্র করে। বর্তমানে জোড়াসাঁকোর বাড়িটি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় স্মৃতিসামগ্রী রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ই রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। অন্যদিকে বোলপুরের শান্িতনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় স্মৃতিসামগ্রী বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। শুধু ব্যতিক্রম দেখা দিয়েছে শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে। শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথের নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে আর রবীন্দ্রনাথের অতি প্রিয় বাসগৃহ কাছারিবাড়ি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না, এমনটি হতে পারে না। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য মহোদয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের অতি প্রিয় কাছারিবাড়িটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করবেন, তার কাছে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক: সাবেক ভিসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ইত্তেফাক/কেকে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন