হিন্দুরা জানালেও, মুসলিম বন্ধুরা বড়দিনের শুভেচ্ছা জানায়নি: তসলিমা

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫৬

আজ খ্রিষ্টানদের ঘরে ঘরে উৎসবের আনন্দধারা। বর্ণিল আলোকের রোশনাইয়ে ভেসে যাচ্ছে গির্জা, গৃহ-দুয়ার আর অভিজাত হোটেলগুলো। সাজানো হয়েছে গো-শালা, ক্রিসমাস ট্রি আর বহুবর্ণ বাতি দিয়ে। শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন বন্ধুরা। তবে ভিন্নমত পোষণ করেছেন তসলিমা নাসরিন।

বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক টুইটে তিনি বলেন, বড়দিনের যতো শুভেচ্ছা আছে তার সবই আমি আমার হিন্দু বন্ধুদের থেকে পেয়েছি। মুসলিম বন্ধুদের থেকে নয়। ঈদের শুভেচ্ছা আমি হিন্দু ও মুসলিম উভয় ধর্মের বন্ধুদের থেকেই পাই। কিন্তু পূজা আসলে শুধু হিন্দুরা শুভেচ্ছা জানায়। এতেই অনেক কিছু বোঝা যায়।

খ্রিষ্ট বিশ্বাস মতে, ঈশ্বরের অনুগ্রহে ও অলৌকিক ক্ষমতায় কুমারী মেরি যিনি মুসলমানদের কাছে হজরত মরিয়ম (আ.) হিসেবে পরিচিত কুমারী হওয়া সত্ত্বেও গর্ভবতী হন। ঈশ্বরের দূতের কথামতো শিশুটির নাম রাখা হয় যিশাস, বা ‘যিশু’।

আজ থেকে প্রায় ২ হাজার ২০ বছর আগে জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরের এক গোয়ালঘরে জন্ম হয় যিশুর। সেই শিশুটিই বড় হয়ে পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনালেন।

গত বছর বৈশ্বিক করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে উৎসবের উদযাপন হয় অনেকটা অনাড়ম্বরভাবে। তবে এবার বড়দিনের আয়োজনে চাকচিক্য কিছুটা বেড়েছে। উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে সান্তাক্লজ আসবেন নানা উপহার ও চমক নিয়ে। দেশ-বিদেশের নানা জায়গায় সাজানো হয়েছে খিষ্টমাস ট্রি।

ইত্তেফাক/টিআর