চতুর্থ ধাপেও রাজশাহীতে বিচ্ছিন্ন অনিয়ম ও বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে তিন উপজেলার ১৫ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ১০ জন এবং ‘স্বতন্ত্র’ ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
দুর্গাপর উপজেলায় ছয়টি ইউপির চারটিতে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে নির্বাচিতরা হলেন, কিসমত গণকৈড় ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ, পানানগর ইউনিয়নে আজাহার আলী খাঁ, ঝালুকা ইউনিয়নে আকতার আলী ও জয়নগর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান। এছাড়া দুইজন ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরা হলেন, নওপাড়া ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম ও দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়নে রিয়াজুল ইসলাম রেন্টু।
এদিকে বাঘা উপজেলার তিনটি ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও একটিতে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন, আড়ানী ইউপিতে রফিকুল ইসলাম ও চকরাজাপুর ইউপি ডিএম মনোয়ার বাবুল দেওয়ান এবং বাউসা ইউপিতে ‘স্বতন্ত্র’ (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী নুর মোহাম্মদ তুফান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে চারঘাট উপজেলার ছয়টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত চারজন এবং দুইটি ইউনিয়নে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন, চারঘাট সদর ইউপিতে ফজলুল হক, ভায়ালক্ষীপুর ইউপিতে আব্দুল মজিদ প্রামাণিক, সরদহ ইউপিতে হাসানুজ্জামান মধু ও শলুয়া ইউপিতে আবুল কালাম আজাদ এবং ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) ইউসুফপুর ইউপিতে আরিফুল ইসলাম মাখন ও নিমপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র (বিএনপি) মিজানুর রহমান।
