নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন আজ

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৫৮

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির কার্যকর পরিষদের নির্বাচন আজ (সোমবার)। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে চলবে ভোট গ্রহণ। 

নির্বাচনে দুটি প্যানেলে মোট ১১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আওয়ামীপন্থী নীল দল ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের মোট ২২ জন প্রার্থী।

নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে হয়েছে প্রচার প্রচারণা। রবিবার ( ২৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচনী প্রচারণা চালায় নীল দল এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের প্রার্থীরা। এসময় তারা ভোটারদের সামনে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ব্যক্ত করে সেটি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে নীল দল থেকে এপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে এপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক পদে নীল দল থেকে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল বাশার। সহ সভাপতি পদে নীল দল থেকে ড. আবু নছর মিয়া ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে ভক্ত সুপ্রতিম সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নীল দল থেকে বাদশা মিয়া ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে  ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।

কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে নীল দল থেকে ড. ফাহদ হুসাইন ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে সুবর্ণা বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক পদে নীল দল থেকে সাহানা রহমান ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে সৈয়দ সিয়াম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে নীল দল থেকে মারুফ রহমান ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে মোঃ আব্দুল করিম।

নির্বাচনে ৪টি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে নীল দল থেকে বিপ্লব মল্লিক, মজনুর রহমান, ছারোয়ার উদ্দিন, মুহাম্মদ আবদুস সালাম এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ড. মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, ওয়ালিউর রহমান আকন্দ (বিপুল), এইচ এম মুস্তাফিজুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ১৯ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা এবং ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা ও নির্বাচনের আচরণবিধি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

ইত্তেফাক/এআই