জবিতে ‘বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্জন এবং আগামীর প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনার

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২১:০০

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার উদ্যোগে ‘বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্জন এবং আগামীর প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বেলা আড়াই টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি মো. ইসরাফিল হোসেন রাফিলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক। 

তিনি বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্জন সম্পর্কে বলেন, একটা সময় বিশ্বব্যাংক আমাদের দেশে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অর্থায়ন বন্ধ করেছিল। অথচ, আজ আমরা নিজস্ব অর্থায়নে দেশের উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যখন ক্ষমতায় আসেন তখন তিনি বলেছিলেন-তোমরা আমাকে দশ বছর সময় দাও, আমি পাকিস্তানকে সুইজারল্যান্ড বানিয়ে দিবো। তখন সাংবাদিকরা বলেছিল-আমারা সুইজারল্যান্ড হতে চাইনা। আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। আর এটাই হচ্ছে বাংলাদেশ। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে আজ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যত লেখালেখি, বই প্রকাশ হচ্ছে সেটা কীভাবে সম্ভব হয়েছে সেটা কিন্তু আমাদের বিচার করতে হবে। অর্থাৎ, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পঁচাত্তরের সেই কালো রাতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার করার পর এই চর্চাটা কিন্তু সেভাবে ছিল না। এই চর্চাটা সম্ভব হয়েছে আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। 

সেমিনার। ছবি: ইত্তেফাক

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, আমরা যারা কলাম লিখি তারা কোনো একটা বিষয়কে নানাভাবে  বিশ্লেষণের চেষ্টা করি। এজন্য ব্যাপক পড়াশোনার প্রয়োজন আছে। এজন্য অনেক বেশি পড়তে হয় পৃথিবীর ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনীতির বই। আমাদেরকে অনেক বেশি পড়তে হয় বিজ্ঞানের বই। 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা বলার সময় আয়ের বৈষম্য দূরীকরণ নিয়েও আমাদের কথা বলা প্রয়োজন। আগামীতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উন্নয়ন যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন অগ্রগতি। এজন্য আয়ের বৈষম্য দূর করতে হবে।

বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান শরীফ কনক।এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম, প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল ও বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মারজুকা রায়না প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এএএম