গঙ্গাচড়ায় তিস্তার চরাঞ্চলে দ্বিতীয় দফায় আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকরা। দাম কম হলেও গত বছর আলুর ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা এ বছরও আলু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলসহ গজঘণ্টা, লক্ষ্মীটারী, কোলকোন্দ, মম্হনা, পাইকান কুঠিরপাড়, কচুয়া ফকিরপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা অনেকে আলু লাগাচ্ছেন। অনেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আলু চাষ করছেন।
পাইকান কুঠিপাড়া গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবীর ৭৫ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছেন। তিস্তার চরাঞ্চলে বন্যার কারণে অনেকের আগাম আলু নষ্ট হয়ে গেছে। শুরুতে কিছুটা দাম পেলেও কোল্ড স্টোরে যারা রেখেছেন তারা লোকসান গুনেছেন। তিনি জানান, গত বছর আগাম আলু চাষ করে মুনাফা হয়েছিল। তাই এ বছরও আলু লাগাচ্ছি। ঐ এলাকার কৃষক ইউনুছ ৩৩ শতক, রহিম বকশ ২২ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছেন। নোহালী ইউনিয়নের মধ্যকচুয়া এলাকার কৃষক নির্মল দেড় বিঘা, হরি দুই বিঘা, জগন্নাথ দুই বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছে। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ চরের রহিম উদ্দিন আগাম আলু লাগিয়েছেন। যা ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে তোলা যাবে। মর্ণেয়া ইউনিয়নের আলালচরের জসিম উদ্দিন এক বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু লাগানো হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, এ বছর দাম পাওয়ার কারণে কৃষকদের আলু চাষের আগ্রহ বাড়ছে। আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা এবার বাড়তে পারে।
