অনাগত সন্তানের মুখ দেখার জন্য ব্যাকুলতা ছিল রিয়া ও রিফাত দম্পতির। তাদের সন্তান যাতে সুস্থ ও সবলভাবে জন্ম নেয়, সে জন্য উদ্যোগের কমতি ছিল না তাদের। নিয়মিত ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি রিয়ার সেবা করত রিফাত। পরস্পরের প্রতি ছিল তীব্র ভালোবাসা। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পাশে থেকে মৃত্যুকে গ্রহণ করে যেন ভালোবাসার অনন্য নজির রেখে গেলেন রিফাত। জানা গেছে, চকবাজারের নন্দ কুমার দত্ত রোডের ‘ওয়াহিদ ম্যানশন’ ভবনের তৃতীয় তলায় থাকতেন রিয়া ও রিফাত দম্পতি। আগুন লাগার পর অসুস্থতার কারণে ভবন থেকে নামতে পারেননি রিয়া, তাই নামেননি রিফাতও। দুইজনই একত্রে মারা যান। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে অপেক্ষারত তাদের বন্ধু সাজিদ জানান,
রিয়া ও রিফাত দুই বছর আগে বিয়ে করেন। চেহারা দেখে তাদের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। আগুন লাগার পর রিফাতের পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়। কিন্তু রিয়াকে নিয়ে নামতে পারছিল না বলেই সে নিজেও নামেনি। দু’জনই পুড়ে মারা যায়। তবে এখন পর্যন্ত মরদেহ শনাক্ত করতে পারিনি।
