হাওর-দ্বীপ-চরের সরকারি ব্যাংকারদের ভাতা দেওয়ার নির্দেশ 

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:১২

সরকারঘোষিত ১৬ উপজেলায় হাওর, দ্বীপ ও চর এলাকায় কর্মরত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মকর্তারা চলতি মাস থেকে গ্রেডভেদে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৬৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এসব অঞ্চলে কর্মরতদের এ ভাতা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ বিআরপিডি ভাতাসংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রুপালী, বিডিবিএল ও বেসিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠিয়েছে।

১৬ উপজেলা হলো—কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম; চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, নোয়াখালীর হাতিয়া, সিরাজগঞ্জের চৌহালী, কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চর রাজীবপুর, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, ভোলার মনপুরা, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, শাল্লা ও দোয়ারাবাজার; হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি।

এর আগে বিদায়ি বছরের ৯ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ঐ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, হাওর, দ্বীপ ও চর উপজেলায় অবস্হিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী, সপ্তম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তার ভাতার পরিমাণ ৫ হাজার টাকা, অষ্টম গ্রেডে ৪ হাজার ৬০০ টাকা, নবম গ্রেডে ৪ হাজার ৪০০ টাকা এবং দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন মাসিক ৩ হাজার ২০০ টাকা ভাতা।

এছাড়া ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা, ১২তম, ১৩তম, ১৪তম ও ১৫তম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন যথাক্রমে ২ হাজার ৬০০ টাকা, ২ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ৪০ টাকা, ১ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৬তম, ১৭তম, ১৮তম ও ১৯তম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন যথাক্রমে ১ হাজার ৮৬০ টাকা, ১ হাজার ৮০০ টাকা, ১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং ১ হাজার ৭০০ টাকা। এছাড়া ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন সর্বনিম্ন ১ হাজার ৬৫০ টাকা ভাতা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০১৯ সালের ফেব্র‚য়ারি মাসে যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করে পার্বত্য এলাকাবহিভূ‌র্ত ১৬ উপজেলাকে হাওর, দ্বীপ ও চর উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট জারি করে।

ইত্তেফাক/কেকে