ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং সহদেবপুর (পশ্চিম) ইউনিয়ন পরিষদে পুন:নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুস সামাদ আজাদ।
বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনারস প্রতীক নিয়ে পরাজিত প্রার্থী আজাদ এ অভিযোগ করেন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখানো হয়, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার ৯১৫ ভোট আর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৭১ ভোট। অথচ এক কেন্দ্রের ফলেই রেজাল্ট সীট কেটে ৫০ ভোট কমানো হয়। প্রকৃতপক্ষে আনারস পেয়েছে ৫ হাজার ৯২১ ভোট আর নৌকা প্রতীক পেয়েছিল ৫ হাজার ৮৬৫ ভোট।
লিখিত বক্তব্যে আবদুস সালাম আজাদ বলেন, গত ৫ জানুয়ারি ৫নং সহদেবপুর (পশ্চিম) ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে ১০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬ টি কেন্দ্রেই ব্যাপক অনিয়ম, জাল ভোট প্রদান, আনারস মার্কার এজেন্টদেরকে মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোট গ্রহণ, রাত ৯ টা পর্যন্ত ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না করে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটোয়ারীর নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন সোহাগ ও কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহানের নেতৃত্বে শতাধিক নেতা-কর্মী সংঘবদ্ধভাবে রিটার্নিং অফিসারের চারিদিকে জড়ো হন। তারা রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে রিটার্নিং অফিসার এ এইচ এম শাহরিয়ার রসুলকে দিয়ে রাত ১টায় ফলাফল ঘোষণা করাতে বাধ্য করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটোয়ারীকে ফোন দিলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
