বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
স্থান ও নিদর্শন
৩. বাংলাদেশের একটি বিশেষ খ্যাতনামা ঐতিহাসিক স্থান যেটি বগুড়া শহর থেকে তেরো কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এ ঐতিহাসিক স্থানটির নাম কী? স্থানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত? স্থানটি সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।
উত্তর : ঐতিহাসিক স্থানটির নাম মহাস্থানগড়।
মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
মহাস্থানগড় সম্পর্কে তিনটি বাক্য—
১.মহাস্থানগড় খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দ থেকে ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১৯০০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে।
২.মৌর্য আমলে এই স্থানটি ‘পুণ্ড্রনগর’ নামে পরিচিত ছিল।
৩.মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ৩.৩৫ মিটার লম্বা ‘খোদাই পাথর’।
৪.পাহাড়পুরের গড়ের উচ্চতা কত মিটার? পাহাড়পুরের গড়টি কী নামে পরিচিতি? পাহাড়পুরে প্রাপ্ত তিনটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের নাম লেখ।
উত্তর : পাহাড়পুরের গড়ের উচ্চতা ২৪ মিটার।
পাহাড়পুরের গড়টি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত।
পাহাড়পুরে প্রাপ্ত তিনটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো—
১.মন্দির
২.জীবজন্তুর মূর্তি
৩.টেরাকোটা।
৫.হোসেনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাল রাজা ধর্মপালের আমলে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক স্থানে পিকনিকের আয়োজন করেছিল। উক্ত স্থান কোনটি? স্থানটি কোথায় অবস্থিত? এ স্থান সম্পর্কে তিনটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : স্থানটি হলো পাহাড়পুর।
পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
পাহাড়পুর সম্পর্কে তিনটি বাক্য—
১.ঐতিহাসিক নিদর্শন পাহাড়পুর ৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দে পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়।
২.এখানে ২৪ মিটার উঁচু গড় রয়েছে যেটি ‘সোমপুর মহাবিহার’ নামেও পরিচিত।
৩.সোমপুর মহাবিহার ছাড়াও পাহাড়পুরে মন্দির, রান্নাঘর, খাবার ঘর এবং পাকা নর্দমা রয়েছে।
৬. ‘ক’ নামক ঐতিহাসিক স্থানটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের কুমিল্লা শহরের কাছে অবস্থিত। স্থানটি বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল। ঐতিহাসিক স্থানটির নাম কী? স্থানটিতে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।
উত্তর : ঐতিহাসিক স্থানটির নাম ময়নামতি।
ময়নামতিতে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো সম্পর্কে চারটি বাক্য—
১.ময়নামতিতে হিন্দু ও জৈন ধর্মের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
২.এখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
৩.জীবজন্তু অঙ্কিত পোড়ামাটির বিভিন্ন ফলক পাওয়া গেছে।
৪.ময়নামতিতে বিভিন্ন মুদ্রা ও পাথরের ফলক পাওয়া গেছে।
