জাতীয় ফুটবল দল ইন্দোনেশিয়ায় ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে যেতে পারল না। ২৪ এবং ২৭ জানুয়ারি ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বালিতে ম্যাচ দুটি হওয়ার কথা ছিল। ম্যাচ দুটি ধরার জন্য কোচ নিয়োগ দেওয়া হলো, অন্য সবকিছু ঠিকঠাক করেও শেষ পর্যন্ত সফর বাতিল করতে হলো শুধু কিছু খেলোয়াড়ের দ্বিতীয় টিকা না দেওয়ার কারণে।
ফিফার প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ সব সময় আসে না। এটা অনেক আগেই নির্ধারণ হয়ে থাকে। নির্ধারিত তারিখে ম্যাচ খেলতে হলে প্রস্তুতিটাও আগে থেকে নিতে হয়। সব প্রস্তুতি নেওয়ার পর জানা গেল ২৮ ফুটবলারের মধ্যে মাত্র ১৫ জন করোনার দ্বিতীয় টিকা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু ১৫ জন হলে তো হবে না। বাধ্য হয়ে সফর বাতিল করল ন্যাশনাল টিমস কমিটি।
ফিফার প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ সামনেও আসবে। তাই বলে হাতের সুযোগ হেলায় হারাবে কেন। বাংলাদেশের মতো দুর্বল ফুটবল দলগুলোর জন্য ফিফাঘোষিত তারিখ কাজে লাগানোর সুযোগ আগেও হারিয়েছিল বাফুফের। কিন্তু এবার যে কারণে নষ্ট করতে হলো তা গ্রহণ করতে পারছেন না সাবেক তারকা ফুটবলার শেখ মো. আসলাম, গাফফাররা। এর জন্য দায়ী কে।
আসলাম বললেন, ‘এই দায়ভার এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। সারা দুনিয়ায় কোভিডের জন্য নিয়ম বলা আছে। আর এরা জানল না। খেলোয়াড়দের ভ্যাকসিন নেই এটা বাফুফের কমিটির কোনো দোষ না। প্রশাসন যারা চালায় এটা তাদের দোষ। জাতীয় দল নিয়ে প্রশাসনিক কাজ যারা করে তারা দেখবে। এখানে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত এবং শাস্তির আওতায় আনা উচিত।’
আব্দুল গাফফার দুষলেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে। গাফফার বললেন, খেলোয়াড়দের টিকা দেওয়া হয়নি এটা বাফুফের সভাপতির দোষ না। তিনি এসব নিয়ে কাজ করেন না। সভাপতি সাহেব যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তারা এর জন্য দায়ী। আমরা প্রায় শুনি প্লেয়ারের পাসপোর্ট নেই। পাসপোর্ট থাকলে রিনিউ করা নেই। এটা হয়নি, ওটা হয়নি। আরে ভাই এখন তো বুষ্টার ডোজের সময় চলছে। আর জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় এখানো টিকা দেওয়া সম্পন্ন করেনি। ইন্দোনেশিয়া সফর বাতিলের জন্য দায়ী সাধারণ সম্পাদক। তারা কি করে। এখানে দায়ী ন্যাশনাল টিমস কমিটি।’
