বিএনপি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচিত এবং গণফোরাম থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদদের মধ্য থেকে রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পরীমণি, খুকুমনি, আর রুকু মনিদের কাহিনী পত্রিকায় পড়লে বাংলাদেশের বর্তমান নতুন প্রজন্ম হতাশ হয়। যাতে নেতৃত্ব ও সমাজ দূষিত হয়, সেজন্য লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে পরীমণি আর খুকু মনিদেরকে। এটি একটি ষড়যন্ত্র।’ বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।
সুলতান মনসুর বলেন, ২০২২ সাল ওমিক্রনের জন্য যেমন অত্যন্ত সংকটকাল, আমি মনে করি রাজনীতির জন্যও হবে একটি সংকটকাল। সংসদ নেতাকে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ধারাবাহিক প্রধানমন্ত্রী থাকার মধ্য দিয়ে যে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি করেছেন, সেই উন্নয়নে বাধা সৃষ্টির জন্য অনেকে এদেশে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। কাজেই যার কাজ তাকে দিয়ে সেটা করাতে হবে।
নিজের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থান একরকম, বিশ্বাস একরকম, বর্তমান অবস্থান একরকম। সবমিলিয়ে আমাকে ইতিহাসের পক্ষে কথা বলতে হবে। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কথা বলতে হবে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর প্রসঙ্গ টেনে সুলতান মনসুর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আন্দোলন নিয়ে সমাজকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। অধ্যাপক জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙিয়েছেন। সেখানে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছিলেন না? ওই অঞ্চলে কী রাজনৈতিক নেতৃত্ব নেই? তারা কী করেছেন? তিনি বলেন, জাফর ইকবাল ওনার ইচ্ছায় গেছেন তা মনে করি না।

জমি অধিগ্রহণের সঙ্গে আমার পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই: শিক্ষামন্ত্রী