সুন্দরবনের কাঠ কুড়িয়ে চলে শত পরিবার

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৬

ভদ্রা নদীর চরে কাঠ কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন শত পরিবার। উপকূলীয় অঞ্চলের নিম্নআয়ের মানুষগুলো শীত মৌসুমে কাঠ কুড়িয়ে কয়লা তৈরি করেন। এসব বিক্রি করেই তাদের জীবন চলে। জ্বালানি কাঠের সন্ধানে প্রতি দিন মানুষের ভিড় জমে ওঠে নদীর মাঝখানে বালুর চরে। 

খুলনার বটিয়াঘাটা ও পাইকগাছা উপজেলা সীমানায় বারোআড়িয়া ও বিগরদানা গ্রামের মধ্যে ভদ্রা নদীতে চর জেগে উঠেছে। ভাটার শেষে নদীর তলদেশ থেকে তারা কাঠের টুকরো কুড়িয়ে থাকেন। 

কাঠ কুড়াতে আসা পার্শ্ববর্তী বারোআড়িয়া এবং বিগরদানা গ্রামের কাঞ্চন বিবি (৭০), মাজিদা বেগম (৫০), তানজিলা, সোবহান, রাশিদাসহ অনেকেই বলেন, কাঠ ধরতে নদীর তীর থেকে তলদেশ পর্যন্ত বাঁশের কঞ্চি সারিবদ্ধভাবে পুঁতে রাখা হয়। পরে সুন্দরবন এলাকা থেকে কাঠের পচা গুঁড়ি জোয়ারের স্রোতে গড়িয়ে এসে এখানে কঞ্চিতে বেঁধে যায়। সে সব নিয়ে প্রথমে রান্নার কাজে ব্যবহার করি। পরে কয়লা বস্তা অথবা ঝুঁড়িতে নিয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা যায়। তাছাড়া একাঠে তাদের সারা মাসের জ্বালানিও হয়ে যায়। এখন এলাকার অনেক পরিবার এই কাঠের গুঁড়ির ওপর নির্ভরশীল। 

ইত্তেফাক/ ইআ